প্রিন্ট এর তারিখঃ | বঙ্গাব্দ || প্রকাশের তারিখঃ 06-06-2026 ইং
সংবাদ শিরোনামঃ মেট্রোরেল ম্যানার্স
বিশেষ প্রতিনিধি, Akther Hossan Saddam।।
কে ভেবেছিল এত অল্প দিনেই আমাদের এত আপন হয়ে উঠবে মেট্রোরেল? রাস্তার জ্যাম পেরিয়ে চট জলদি গন্তব্যে পৌঁছাতে এখন নিত্য সহায় এই দ্রুতিমান যান। কিন্তু আমরা নিয়মিত ভুলে যাচ্ছি যে, মেট্রোরেল একটি নিখাঁদ গণপরিবহন। এখানে ভিড় থাকবে। মানুষ মানুষের নিকটবর্তী হবেই। অথচ মেট্রোস্টেশন থেকে যানটি থেকে নামা অবধি নিজেদের আচার-আচরণ এখনও যথেষ্ট কাঙ্খিত নয়।
মেট্রোরেলের টিকেট কাউন্টারের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় থেকে ভ্রমণের সময়ে ফোনে কথা বলায় অনেককে সংযত না। উচ্চস্বরে কথা তো চলেই, সঙ্গে এমন রিংটোন যা বিরক্তির কারণ।
মেট্রোরেলে হাঁচি, কাশি ও সর্দি নিয়ে বিশেষ সতর্কতা নেই অনেকের। একজনের জন্য অন্যজন বিব্রত না হন সেদিকে খেয়াল কম।
মেট্রোরেলে দেখা যায় ফাঁকা সিট পেলেই গায়ের জোরে বসে পড়ার কালচার। অথচ মেট্রোতে চিহ্নিত করা আছে প্রবীণ মানুষ, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী ও শিশুসহ যাত্রীদের সিটে বসতে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে। এত অল্প সময়ের একটা জার্নিতে এটা মানতে দ্বিধার কারণ কি?
যত ভিড়ই হোক মেট্রোরেলে আগে নামতে দিতে হবে গন্তব্যে আসা যাত্রীদের। পরে নিজে উঠতে হবে। এই ভুল বন্ধ হচ্ছে না কেন?
মেট্রোরেল একটি আধুনিক নগরপরিবহন। এটি ব্যবহার করতে আমরা যারা নাগরিক তাদের হতে হবে আধুনিক। আর আধুনিক নাগরিক মানে অন্যের মঙ্গলের কথা চিন্তা ও কর্মে প্রকাশ করা। মেট্রোরেল ম্যানার্স তাই যেন ভুলে না বসি একটা জার্নিতেও।