বিশেষ প্রতিনিধি, Akther Hossan Saddam।।
কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের একজন করে তুলেছে তার দুর্দান্ত ফিটনেস। তবে এই ফিটনেসের পেছনে নেই কোনো শর্টকাট।
রয়েছে নিয়মিত অনুশীলন, সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং কঠোর শৃঙ্খলা।
ক্লাবের অনুশীলনের বাইরে ব্যক্তিগত ট্রেইনারের তত্ত্বাবধানে আলাদা ফিটনেস সেশনও করেন এমবাপ্পে।
সপ্তাহে প্রায় পাঁচ দিন ওয়েট ট্রেনিং তার রুটিনের অংশ। পায়ের শক্তি ও গতি বাড়াতে ডেডলিফট, স্কোয়াট, ওয়াকিং লাঞ্জ, লেগ এক্সটেনশন ও হিপ থ্রাস্টের মতো ব্যায়াম করেন নিয়মিত। এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন মাসল গ্রুপ শক্তিশালী রাখতে ডাম্বেল প্রেস, বেঞ্চ প্রেস, পুলআপ, ল্যাট পুলডাউন, কেবল রো, পুশ-আপ এবং ট্রাইসেপ পুশডাউনের মতো ব্যায়ামও তার নিয়মিত অনুশীলনের অংশ।
দ্রুত গতি, ভারসাম্য ও বিস্ফোরণক্ষমতা ধরে রাখতে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন কোর ট্রেনিং করেন এই ফরাসি তারকা।
প্ল্যাঙ্ক, ক্রাঞ্চ, সাইড প্ল্যাঙ্ক, সিজর কিক ও হ্যাঙ্গিং লেগ রেইজের মতো ব্যায়াম তার ফিটনেস রুটিনে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
শুধু ব্যায়াম নয়, খাদ্যাভ্যাসেও দারুণ সচেতন এমবাপ্পে। দিনের শুরু করেন সেদ্ধ ডিম ও অ্যাভোকাডো দিয়ে। কখনো ওটস বা পরিজের সঙ্গে বাদামের মাখনও থাকে সকালের নাশতায়।
দুপুরের আগে প্রোটিনসমৃদ্ধ স্ন্যাকস বা প্রোটিন বার খান। তার দুপুরের খাবারে থাকে টুনা মাছ বা মুরগির মাংস, সালাদ এবং পরিমিত কার্বোহাইড্রেট। বিকেলে প্রোটিন শেক ও মৌসুমি ফল, আর রাতে লাল চালের ভাত, সবজি এবং মাছ বা মুরগির মাংস তার খাদ্যতালিকায় থাকে। প্রয়োজন হলে দিনের শেষে আরও একটি প্রোটিন শেক গ্রহণ করেন।
ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে, এমবাপ্পের সাফল্যের মূল রহস্য হলো ধারাবাহিকতা। নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য এবং দীর্ঘদিন ধরে একই রুটিন মেনে চলার কারণেই তিনি সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।