বিশেষ প্রতিনিধি, Akther Hossan Saddam।।
মানুষের জন্মলগ্ন থেকেই শয়তান তার প্রকাশ্য শত্রু হিসেবে পথভ্রষ্ট করার জন্য ওঁত পেতে থাকে। প্রতিটি মুহূর্তে মুমিনের ইমান ও আমল নষ্ট করাই তার মূল লক্ষ্য। তবে শয়তানের এই নিরন্তর প্রতারণা ও ষড়যন্ত্রের মাঝেও এমন একটি মুহূর্ত আসে, যখন সে মুমিনের অটলতা ও দৃঢ়তার সামনে সম্পূর্ণ পরাস্ত হয়ে হাল ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
আমলে ধারাবাহিকতা ও শয়তানের প্রতিক্রিয়া
তাবেয়ী ইমাম হাসান আল-বসরী (রহিমাহুল্লাহ) শয়তানের সঙ্গে মুমিনের আত্মিক সংগ্রামের চমৎকার চিত্র তুলে ধরেছেন।
প্রাথমিক বাধা ও আক্রমণ: শয়তান যখন দেখে কোনো বান্দা ইবাদত-বন্দেগীতে ধারাবাহিক হতে শুরু করেছে, তখন সে তাকে থামানোর জন্য বারবার প্ররোচনা দেয় এবং নানা কৌশলে পেছনে লেগে থাকে।
শয়তানের হাল ছেড়ে দেওয়া: কিন্তু বান্দা যখন শয়তানের প্ররোচনা উপেক্ষা করে কোনোভাবেই আমল থামায় না এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে নেক আমল চালিয়ে যায়, তখন শয়তান একপর্যায়ে হতাশ হয়ে ধীরে ধীরে হাল ছেড়ে দেয়।
সতর্কবার্তা ও গাফলতের সুযোগ: তবে মুমিনকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। শয়তান দূরে সরে গেলেও সে সুযোগের সন্ধানে থাকে। বান্দা যদি সামান্যতম এদিক-সেদিক হয় কিংবা একটু গাফেল (উদাসীন) হয়ে পড়ে, শয়তান ঠিক তখনই তাকে পুনরায় শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে বসে।