বিশেষ প্রতিনিধি, Akther Hossan Saddam।।
অস্ট্রেলীয় পেসারদের বোলিং তোপে ব্যাটিং ধসে মাত্র ৬৪ রানে প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সূচনাতেই হোঁচট খেয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াও। শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের গতিতে কুপোকাত হয়ে ৪৫ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে তারা।
আজ শনিবার (২২ আগস্ট) ম্যাকাইয়ের গ্রেট বেরিয়ার রিফ অ্যারেনায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে মিচেল স্টার্কের বিষাক্ত সুইং ও বাউন্সে দিশেহারা হয়ে পড়েন টাইগার ব্যাটাররা।
ইনিংসের প্রথম বলেই শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন সাদমান ইসলাম। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও রানের খাতা খোলার আগেই স্টার্কের শিকার হন। লিটন দাসও কোনো রান না পেয়ে মাঠ ছাড়েন। টপ অর্ডারের মধ্যে একমাত্র মুমিনুল হক কিছুটা টিকতে পারলেও ১৬ বল খেলে মাত্র ৫ রান করে বিদায় নেন।
পঞ্চম উইকেট পতনের পর ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বলে মুশফিক (৫) বোল্ড হলে সে আশাও মিশে যায় ধুলোয়।
এরপর কামিন্স ও জস হ্যাজলউডের তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। নবম উইকেট পতনের সময় বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে জমা ছিল মাত্র ৩৯ রান, যা সর্বনিম্ন ৪৩ রান অলআউটের লজ্জাজনক রেকর্ডকে জাগিয়ে তোলে।
শেষদিকে শরিফুল ইসলামের ১৯ বলে ১৪ রানের ছোট এক ক্যামিও এবং তাইজুল ইসলামের লড়াইয়ে বাংলাদেশ ৫০ রানের কোটা পার করে ৬৪ রান পর্যন্ত পৌঁছায়। অসিদের পক্ষে স্টার্ক ৫টি এবং কামিন্স ৩টি উইকেট নেন।
জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দলীয় রান বৃদ্ধির আগেই ওপেনার ম্যাথু রেনশকে (৮) উইকেটের পেছনে ক্যাচে পরিণত করেন তাসকিন আহমেদ।
এরপর ক্রিজে সেট হয়ে যাওয়া ট্রাভিস হেডকেও (২২) সাজঘরের পথ দেখান শরিফুল ইসলাম। এক ওভারেই জোড়া আঘাত হেনে মার্নাস লাবুশেনকেও (৪) বোল্ড করেন এই বাঁহাতি পেসার। ৯ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে ৪৫ রান তুলে প্রথম সেশনের খেলা শেষ করেছে।