বিশেষ প্রতিনিধি, Akther Hossan Saddam।।
আসন্ন ত্রয়োদশ
জাতীয়
সংসদ
নির্বাচনে
ঠাকুরগাঁও-১
আসন
থেকেই
প্রার্থী
হচ্ছেন
জাতীয়তাবাদী
দল
(বিএনপি)
মহাসচিব
মির্জা
ফখরুল
ইসলাম
আলমগীর।
তিনি
নিজেই
জানিয়েছেন,
এটি
তার
রাজনৈতিক
জীবনের
শেষ
নির্বাচন।
বিএনপি মহাসচিব
মির্জা
ফখরুল
স্থানীয়
দলের
নেতাকর্মীদের
সামনে
অনানুষ্ঠানিকভাবে
বা
দলের
ঘোষণায়
(যেখানে
বলছেন)
ঠাকুরগাঁও-১
থেকে
প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করে
এই
নির্বাচনের
মাধ্যমে
রাজনৈতিক
যাত্রার
সমাপ্তি
টানবেন।
দলীয়
সূত্র
ও
স্থানীয়
সূত্রে
জানা
গেছে,
প্রার্থী
ঘোষণা
হওয়ার
পর
থেকেই
জেলায়
তার
সমর্থকদের
মধ্যে
প্রস্তুতি
ও
উচ্ছ্বাস
লক্ষ্য
করা
যাচ্ছে।
মির্জা ফখরুল
বলেছেন,
“আসন্ন
ত্রয়োদশ
সংসদ
নির্বাচনেই
আমার
রাজনৈতিক
জীবনের
শেষ
লড়াই।
দীর্ঘ
সময়ের
রাজনৈতিক
সংগ্রামের
পর
আমি
এভাবে
জনগণের
সামনে
দাঁড়াচ্ছি।”
তার
এই
ঘোষণায়
দলের
কেন্দ্রীয়
ও
স্থানীয়
স্তরে
মিশ্র
প্রতিক্রিয়া
দেখা
গেছে—কিছু
নেতারা
অভিনন্দন
জানিয়ে
সমর্থন
জানিয়েছেন,
আবার
কিছুর
মধ্যে
আবেগঘন
মন্তব্য
ও
ভবিষ্যৎ
দলে
নেতৃত্ব
শূন্যতার
ভাবনা
প্রকাশ
পেয়েছে।
মির্জা ফখরুল
দীর্ঘদিন
ধরে
বিএনপির
শীর্ষ
নেতা
হিসেবে
রাজনৈতিক
কর্মকাণ্ডে
জড়িত।
সারাদেশে
তাঁর
ব্যক্তিত্ব
ও
কণ্ঠস্বর
রয়েছে
ব্যাপক
পরিচিতি—দলীয়
সংগঠক
হিসেবে,
বিরোধী
মনোভাবের
প্রামাণ্য
প্রতীক
হিসেবে
এবং
নানা
নির্বাচনী
প্রচারণায়
তিনি
নিজেকে
প্রমাণ
করেছেন।
ঠাকুরগাঁও-১
আসনটিও
তার
রাজনৈতিক
কড়চা
ও
কর্মকাণ্ডের
জন্য
পরিচিত।
জেলা বিএনপি
ও
স্থানীয়
নেতাকর্মীরা
ইতোমধ্যে
প্রচারণার
ভিত্তি
মজবুত
করতে
মাঠস্তরে
কাজ
শুরু
করেছে—স্থানীয়
সভা,
দলীয়
সংগঠন
শক্ত
করা,
প্রতিটি
ওয়ার্ডে
নেতা-সমর্থক
সংগঠন
এবং
প্রচারিণী
কার্যক্রম
দ্রুত
গড়ে
তোলা
হচ্ছে।
প্রতিদ্বন্দ্বী
দল
ও
স্বতন্ত্র
প্রার্থীদের
প্রতিক্রিয়ার
উপর
ভিত্তি
করে
নির্বাচনী
পরিবেশ
কীভাবে
গড়াবে,
তা
এখন
দেখার
বিষয়।
ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ
নির্বাচনকে
কেন্দ্র
করে
রাজনৈতিক
উত্তেজনা
বাড়ছে।
কেন্দ্রীয়
ও
স্থানীয়
পর্যায়ে
প্রতিদ্বন্দ্বিতা
প্রচণ্ড
হওয়ার
সম্ভাবনা
রয়েছে।
ঠাকুরগাঁও-১—যে
আসনে
মির্জা
ফখরুল
প্রার্থী
হচ্ছেন—সেখানকার
ভোটের
পরিবেশ,
ঐতিহ্য
ও
ভোট
ব্যাংক
পর্যালোচনা
করে
প্রতিটি
দল
তাদের
কৌশল
নির্ধারণ
করছে।