আজ (সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ৪৪তম বিসিএস (সড়ক ও জনপথ) ক্যাডারে নবযোগদানকৃত ৩২ জন কর্মকর্তার জন্য আয়োজিত সাত দিনব্যাপী ইনডাকশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা নোবেল দে স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী রবিউল আলম নবযোগদানকৃত কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘প্রশিক্ষণ শেষে নবীন কর্মকর্তারা পুরোদমে কাজে যুক্ত হবেন। রাষ্ট্র তাদের প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তুলেছে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে—এই উপলব্ধি সবসময় ধারণ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিজেদের রাষ্ট্রের স্বার্থে সর্বদা নিবেদিত রাখা সহজ নয়, নানা প্রতিবন্ধকতা থাকে। তবে তরুণ কর্মকর্তাদের উপলব্ধি থাকা দরকার যে, তারা চাইলে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেন।
এসময় মন্ত্রী নবীনদের উদ্দেশে বলেন, ‘রাষ্ট্র ও সরকারের প্রত্যাশা পূরণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে হবে। সততা ও নৈতিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনই একজন প্রকৃত কর্মকর্তার পরিচয়।’
এদিকে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ তার বক্তব্যে সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ সবাইকে মিলেই গড়তে হবে। নবীন কর্মকর্তারাই আগামীর ভবিষ্যতের কান্ডারি।’
প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষে স্বাগত বক্তব্য দেন সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নাসির আহমেদ ও জান্নাতুল নাঈম। তারা প্রশিক্ষণ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, এই ইনডাকশন কোর্স নবীন কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, প্রশাসনিক জ্ঞান এবং নৈতিক দায়িত্ববোধ জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা রাষ্ট্রের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক নবযোগদানকৃত প্রশিক্ষণার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সিভিল সার্ভিস রুলস মেনে জনস্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, সাত দিনব্যাপী এ ইনডাকশন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে নবীন কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক কাঠামো, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা, আর্থিক শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। এছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত বলেও ঘোষণা করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।








