1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

শাহবাগে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করল ডিএসসিসি

প্রতিবেদনঃ অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইমঃ 13-08-2026 ইং
  • 13611 বার পঠিত
ad728

রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে পরীক্ষামূলকভাবে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ মোড়ে আধুনিক এ সিগন্যাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকা মহানগরীর তীব্র যানজট মানুষের মূল্যবান কর্মঘণ্টা কেড়ে নিচ্ছে। যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজ ঢাকা মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে আমাদের একটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক ও আনন্দের দিন। এই নগরের অন্যতম প্রধান সমস্যা তীব্র যানজট।

এই যানজট নিরসনে আমরা একটি বিশেষ পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেছি।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকা মহানগরীর ২০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে প্রাথমিকভাবে পাইলট ভিত্তিতে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএসসিসির আওতাধীন প্রাথমিকভাবে আটটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনকে এ ব্যবস্থার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো- বাংলামোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল সার্কেল, মৎস্য ভবন, কদম চত্বর, শিক্ষা ভবন ও শাহবাগ মোড়। এর মধ্যে শাহবাগ মোড়ে আজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হলো।

আব্দুস সালাম বলেন, আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালুর কার্যক্রম এখানেই শেষ নয়। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরীর আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিএসসিসির আওতাধীন আরও ২২টি ইন্টারসেকশনে ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থা শুধু প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে সফল করা সম্ভব নয়। এর কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন আইন মেনে চলা এবং নাগরিকদের সচেতনতা।

নগরবাসী ও চালকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, সড়কে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং বন্ধ করতে হবে। চালক ও পথচারীদের সিগন্যাল ও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। ট্রাফিক সতর্কীকরণ সাইন, রোড মার্কিং, জেব্রা ক্রসিং ও নির্দিষ্ট লেন অনুসরণ করতে হবে। ইন্টারসেকশনে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা ভাসমান দোকান রাখা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, নতুন স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে মোড়গুলোতে ট্রাফিক পুলিশকে আগের মতো সার্বক্ষণিকভাবে দাঁড়িয়ে হাতে সংকেত দিতে হবে না। এতে নগরবাসীর কর্মঘণ্টা সাশ্রয়ের পাশাপাশি রোদ-বৃষ্টিতে সড়কে দায়িত্ব পালন করা ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের কষ্টও কমবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, এই আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকারিতা ধরে রাখতে ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে। চালক ও পথচারীসহ সব নগরবাসী দায়িত্বশীল আচরণ করলে ঢাকা মহানগরীকে আরও গতিশীল ও আধুনিক স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোয়াজ্জেম হোসেন ও প্রফেসর ড. মুহাম্মদ হাদিউজ্জামান, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ আনিসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728
ad728
ad728