নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রাগাশ্রয়ী সংগীতের অনন্য সৌন্দর্য ও সৃষ্টিশীল বৈভব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ আয়োজন ‘বেণুকা’।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নজরুল সংগীতে ধ্রুপদী শাস্ত্রীয় সুরের নান্দনিক ব্যবহার ও তার স্বকীয় প্রভাব নিয়ে আলোচনা পর্ব এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, "আমরা সংস্কৃতিকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে নানা বৈচিত্র্যকে ঐক্যবদ্ধ করে আমাদের দেশ, জাতি ও জনগণের পরিচয়কে সারা পৃথিবীর বুকে তুলে ধরতে চাই।"
স্বাগত বক্তব্যে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন নজরুলের সৃষ্টিশীলতার প্রশংসা করে বলেন, "নজরুলের মতো সুরস্রষ্টা সংগীতকার দ্বিতীয়টি নেই।
বিশ্ব সংগীতে বহু গুণীজন রয়েছেন, কিন্তু নিজে গান লিখে তাতে এমন বৈচিত্র্যময় সুরারোপের প্রভাব সত্যিই বিরল। নজরুল আমাদের জাতীয় জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি এবং আমাদের প্রতিটি সংগ্রামের ও দুঃসময়ের সাথী।"
অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। আলোচনা পর্বের ইতি টেনে দ্বিতীয় ধাপে জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এক বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।