1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

ইউএনসিসিডি কপ-১৭ সংলাপে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও ন্যায্য পানি বণ্টনের জোর দাবি পরিবেশমন্ত্রীর

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 25-08-2026 ইং
  • 11268 বার পঠিত
ad728

খরা ও ভূমি অবক্ষয় মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, উজান ও ভাটির দেশগুলোর মধ্যে ন্যায্য পানি বণ্টন এবং উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তরের আকুল আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশনের ১৭তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (কপ-১৭/COP17)-এর ‘খরা সহনশীলতা জোরদার’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের খরা ও লবণাক্ততা সংকট:

পরিবেশমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে খরা ও ভূমি অবক্ষয় একে অপরের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তিনি অভ্যন্তরীণ পরিবেশগত দুটি প্রধান সংকটের কথা তুলে ধরেন:

  • উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সংকট: প্রায় ৫.৪৬ মিলিয়ন হেক্টর জমি চরম খরাপ্রবণ। সেখানে ১৬ হাজার গভীর নলকূপের মাধ্যমে অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নেমে যাচ্ছে।

  • উপকূলীয় অঞ্চলের সংকট: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও নদী প্রবাহ হ্রাসের কারণে লবণাক্ততা ভেতরে প্রবেশ করে কৃষিজমি ও খাবার পানি ধ্বংস করছে, যা লাখ লাখ মানুষের জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ:

১. কৃষি তথ্য ও প্রযুক্তি (BAMIS): 'বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-মেটিওরোলজিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেমস'-এর মাধ্যমে কৃষকদের সরাসরি মোবাইল অ্যাপ, এসএমএস ও ভয়েস কলের মাধ্যমে আবহাওয়া ও ফসলভিত্তিক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। ২. জাতীয় গ্রীন মিশন: সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে ম্যানগ্রোভ বনের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। ৩. জলাশয় পুনঃখনন: ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখনন করার মেগা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রস্তাবনা:

গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় যৌথ ও কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনার জোর দাবি জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, শুষ্ক মৌসুমে নদীর ন্যায্য পানিপ্রবাহ বজায় রাখা ভূমি অবক্ষয় রোধের অন্যতম প্রধান শর্ত। এছাড়া, খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল উন্নত ফসলের জাত প্রবর্তনে বিশ্ব সম্প্রদায়কে প্রযুক্তি হস্তান্তর নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

উক্ত সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীরা ছাড়াও এফএও, ইউএনডিপি, ইউনিসেফ, এআইআইবি এবং আফ্রিকান ইউনিয়নসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থার উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728
ad728
ad728