ঢাকা-১৬ (পল্লবী-রূপনগর) আসনের সর্বসাধারণের দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্যসেবার সংকট নিরসনে এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা সুনিশ্চিত করতে একটি আধুনিক সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের প্রশাসনিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
এলাকার সংসদ সদস্য ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের ডিও পত্রের (অর্ধ-সরকারি পত্র) প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সম্ভাব্যতা যাচাই ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
প্রশাসনিক নির্দেশনার বিবরণ ও পটভূমি:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি: গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পুরাতন সংসদ ভবন শাখা থেকে এই সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাটি জারি করা হয় (স্মারক নম্বর: ০৩.০০.২৬৯০.০০০.০৪.০০০১.২৬-৮৭৪)।
উদ্যোগ ও আবেদন: ঢাকা-১৬ আসন ও বৃহত্তর মিরপুর এলাকার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে গত ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি ডিও পত্র (নম্বর: ০৪.০০.০০০০.০১০.০৪.০৩৭.২৩.৫৮৩) প্রেরণ করেন।
সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ: উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে মিরপুর এলাকায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা দ্রুত যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাস্তবায়ন সমন্বয়: নির্দেশনার অনুলিপি স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে যাতে দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। বিজ্ঞপ্তিটিতে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ ও ‘মাননীয় সংসদ সদস্যগণের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেল’-এর সদস্য সচিব মোঃ উজ্জ্বল হোসেন।
এক নজরে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সারসংক্ষেপ:
| তথ্য নির্দেশক | বিবরণ ও বিবরণী |
| প্রস্তাবিত প্রকল্প | সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। |
| প্রকল্প এলাকা | ঢাকা-১৬ (পল্লবী-রূপনগর ও বৃহত্তর মিরপুর)। |
| উদ্যোক্তা/আবেদনকারী | মো. আমিনুল হক (সংসদ সদস্য ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী)। |
| প্রশাসনিক স্মারক ও তারিখ | স্মারক নং: ০৩.০০.২৬৯০.০০০.০৪.০০০১.২৬-৮৭৪ (১৭ আগস্ট ২০২৬)। |
| তদারকি সংস্থা | স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। |
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের এই দ্রুত ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পল্লবী ও রূপনগর এলাকার সাধারণ বাসিন্দারা। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা পুরো বৃহত্তর মিরপুরের স্বাস্থ্য খাতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।