ডিজিটাল রূপান্তরের মূল উদ্দেশ্য কেবল সরকারি সেবা ডিজিটাল করা বা প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি নয়; বরং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অধিকতর সমন্বিত, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করে জনসেবা নিশ্চিত করা বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত ‘ই-ফেক্টিভ ই-গভর্ন্যান্স: বাংলাদেশে ই-গভর্নমেন্ট ও ডিজিটাল পাবলিক সার্ভিস ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্লোবাল গেটওয়ে উদ্যোগের অর্থায়নে এবং ই-গভর্ন্যান্স একাডেমির সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।
বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:
সমন্বিত ইকোসিস্টেম ও আন্তকার্যক্ষমতা: মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আলাদা ডিজিটাল ব্যবস্থা থাকলেই ডিজিটাল সরকার গড়ে ওঠে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার একটি কার্যকর ও সমন্বিত ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি করছে, যেখানে সুশাসন ও সার্বজনীন মানদণ্ড বজায় থাকবে।
ডেটা পুনঃব্যবহার ও নিরাপদ বিনিময়: নাগরিকদের কাছ থেকে একই তথ্য বারবার নেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও অনুমোদিত উপায়ে ডেটা বিনিময়ের ওপর জোর দেন মন্ত্রী।
পুনরাবৃত্তি রোধ: বিভিন্ন প্রকল্পের একই ডিজিটাল সক্ষমতা বারবার তৈরির পরিবর্তে অভিন্ন অবকাঠামো এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
সেমিনারে ইইউ প্রতিনিধিদলের হেড অব কো-অপারেশন মাইকেল ক্রেইজা, আইসিটি সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব ফারাহ শাম্মী এনডিসি এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক নাহিদ সুলতানা মল্লিকসহ সংশ্লিষ্ট জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।