1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

দুর্নীতির অভিযোগের পরও এলজিইডির পিডি আতিকুল, অধস্তন কর্মকর্তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ

প্রতিবেদনঃ নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইমঃ 06-09-2026 ইং
  • 120 বার পঠিত
ad728

এলজিইডি’র পিডি আতিকুলের তেলেসমাতি চাকরির আড়ালে কোটি কোটি টাকার অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। পতিত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের দোসর, বরিশালের আবুল হাসনাত আব্দুল্লার ডানহাত সাবেক বরিশালের এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী দুনীতির বরপুত্র আতিকুল ইসলাম কে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।


সুত্রে আরও জানা গেছে, বিগত স্বৈরাচারী লীগের দাপট দেখিয়ে বরিশালে নিবাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত থেকে ঘুষ দুনীতি মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। ঠিকাদার দের সাথে আতাত করে কাজ না, করে বিল ভাউচার বানিয়ে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন আতিকুল। তার আর্শীবাদ হিসাবে ছিলেন বরিশালের হেভি ওয়েট নেতা ফ্যাসিস্ট হাসিনার নিকটতম আত্বীয় আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ। যে কারণে বেশি বেগ পেতে হয়নী সু-চতুর নিবাহী প্রকৌশলী আতিকুলের।


লীগের সুবিধাভোগী নিবাহী প্রকৌশলী আতিকুল তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তুলেছিলেন সু বিশাল সিন্ডিকেট বাহীনি। সেই সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে একতরফা ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বিগত স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের আমলে। এখনো বহাল তবিয়তে আছেন এলজিইডিতে দুনীতিতে চাম্পীয়ন ক্ষ্যাত ঘুষখোর আতিকুল ইসলাম।


একাধিক সুত্রে আরও জানা যায়, বিগত সময়ে এলজিইডির বরিশালের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী (বরিশাল) মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম বর্তমানে ঢাকার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সদর দপ্তরে প্রেষণে প্রকল্প পরিচালক (Project Director) হিসেবে কর্মরত আছেন। লীগের দাপটি দুনীতি পরায়ন লীগের দোসর আতিকুল ইসলামকে প্রকল্পের পিডি হিসেবে দ্বায়িত্বে দেওয়া র জন্য বিশেষ সুপারিশ করা হয়েছে সংসৃষ্ট মন্ত্রণালয়ে। নারী কেলেংকারী তে পিছিয়ে নেই মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন লীগের দোসর আতিকুল ইসলাম।


দুনীতির মাষ্টার মাইন্ড আতিকুল বর্তমানে তিনি এলজিইডি সদর দপ্তরের RIVER (Resilient Infrastructure for Adaptation and Vulnerability Reduction) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (PD) পদটি বাগীয়ে নেন। এলজিইডি র সদর দপ্তরের ওয়ার্কশপ ভবনের লেভেল-৩ এ তার কার্যালয়ে লীগের ঠিকাদার দের আনাগোনা দেখা গেছে প্রতিনিয়ত। এককথায় লীগ সরকারকে পুর্নবাসন করতে মারিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি। পতিত লীগ সরকারের আমলে দাপিয়ে বেড়িয়েছি সাবেক হাসিনা সরকারের আমলে বরিশালে নিবাহী প্রকৌশলী হিসেবে। দুনীতি সর্গরাজ্য পরিনত করেছিলেন সৈরাচারী লীগ পন্থী, পূর্বতন কর্মস্থল: তিনি বরিশালে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত থেকে।


অদৃশ্য শক্তি কারণে পরবর্তীতে তাকে ঢাকায় সদর দপ্তরে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে পদায়ন করার কারণে সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে চলছে চরম উত্তেজনা ও নানান গুনজন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান এলজিইডির একাধিক কর্মকর্তা রা,তাঁরা বলেন বিগত সময়ে বরিশালে দায়িত্ব পালনকালে তৎকালীন রাজনৈতিক প্রভাবশালী হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সিটি কপোরেশন মেয়র সহ লীগের মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যক্তিদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা এবং তার সম্পদ অর্জন করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। তাঁর দুনীতি সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। লীগের দাপটে তছনছ, সেই সকল অভিযোগ আজ-ও পযন্ত আলোর মুখ দেখেনি। অন্যর স্ত্রীর সাথে পরকীয়ায় লীলা খেলায় মগ্ন ফ্যাসিস্ট আতিকুল।


সুত্রে জানা জায়, প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. আতিকুল ইসলাম তার বন্ধু ও নরসিংদীর নির্বাহী প্রকৌশলী ফুলকাম বাদশার স্ত্রীর সঙ্গে ‘পরকীয়া’ সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া বিভিন্ন সুন্দরী রমনীদের নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন অভিজাত হোটেলে আমদফির্তী করে থাকেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, ফুলকাম বাদশার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে থাইল্যান্ডে বসবাস করছেন। এ সুযোগে আতিকুল ইসলামও বিভিন্ন সময়ে থাইল্যান্ডে যাতায়াত করেছেন এবং সেখানে ফুলকাম বাদশার পরিবারের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করেছেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।


জানা গেছে, আতিকুল ইসলাম বরিশাল জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়মিত থাইল্যান্ডে যাতায়াত করতেন। ওই সময় ফুলকাম বাদশার পরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে একাধিক কর্মকর্তারা জানান। অভিযোগ রয়েছে, আতিকুল ইসলামের স্ত্রী ও সন্তান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। সেখানে তাঁর স্ত্রী সন্তান দেরকে নামে – বে নামে অঢেল সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন লীগের সুবিধাভোগী পিডি আতিকুল ইসলাম।


লীগের দোসর প্রকল্প পরিচালক আতিকুল ইসলাম অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন ঠিকাদার দের সাথে আতাত করে। দুদক তাঁর সম্পদের খোঁজ খবর নিলে থোলের বিরাল বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন এলজিইডি সাধারণ কর্মকর্তারা।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728
ad728
ad728