ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান শওকত আলী চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে দেশের ও বিদেশের একাধিক ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেন বিশ্লেষণ করে এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, শওকত আলী চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যরা গত কয়েক বছরে ব্যাংকিং খাতের প্রভাব খাটিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ স্থানান্তর ও সম্পদ অর্জন করেছেন, যার যথাযথ উৎস নেই।
দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। প্রয়োজনে তাদের তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।”
এ বিষয়ে ইস্টার্ন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বা শওকত আলী চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ব্যাংকটির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন,
"ব্যাংক স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম মেনে পরিচালিত হয়। তদন্তে আমরা সহযোগিতা করব।"
সাম্প্রতিক সময়ে আর্থিক খাতের দুর্নীতি নিয়ে নানা অভিযোগ উঠছে। বিশেষ করে ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে ঋণ বিতরণ, শেয়ার বাজারে অনিয়ম ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদক ও বাংলাদেশ ব্যাংক নজরদারি বাড়িয়েছে।
| ফজর | ৪:৪৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৬ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩:৪৩ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৫:১৮ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:০০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২:০০ মিনিট দুপুর |

