নির্বাচনের সময়কালে পতিত সরকার বা কোনো অশুভ শক্তি যদি
অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে সরকার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে সেটি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবে বলে
জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু
পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি দেশবাসীকে
ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই বলে অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন, সরকার পুরোপুরি সজাগ ও দায়িত্বশীল।
উপদেষ্টা
রিজওয়ানা হাসান বলেন, “নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু চক্রান্ত ও অস্থিরতা সৃষ্টির
চেষ্টা হতে পারে। দেশবাসী আতঙ্কিত হবেন না—সরকার পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবরকম উদ্যোগ গ্রহণ করবে। আমাদের লক্ষ্য সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন
নিশ্চিত করা।”
তিনি
বলেন, নির্বাচনগ্রহণের পদ্ধতি ও ভোটাধিকার রক্ষায়
সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও সক্রিয় রয়েছে।
জনগণের নিরাপত্তা আর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার
স্বচ্ছতা রক্ষা করতে সরকারের সব গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া
ও প্রস্তাবিত কার্যক্রম সচল থাকবে—এমন প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ইতিমধ্যেই
বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ ও সামাজিক সংগঠন
নির্বাচনকে নিয়ে সতর্কতা ও সমর্থন উভয়ভাবেই
প্রকাশ করেছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমে আলোচনার
তীব্রতা বাড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ থাকলেও সরকারি পর্যায়ে শান্তি-প্রক্রিয়া বজায় রাখার উপর জোর দেয়া হয়েছে। রিজওয়ানা হাসান এ প্রেক্ষাপটে জনগণকে
সহনশীলতা, শান্তি ও আইন সম্পর্কে
সম্মান প্রদর্শন করার অনুরোধ জানান।
রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
ভোটকালকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিশ্লেষণ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে
প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করে বলেন, “সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে; কোনো অপকর্ম বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির
অপচেষ্টা হলে তা প্রশমন করার
জন্য প্রশাসনিক ও আইনসম্মত উপায়
অবলম্বন করা হবে।”
রাজনীতি
ও সুরক্ষা বিষয়ক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে সতর্কবার্তা ও আইনি দিকগুলোতে
সজাগ থাকা স্বাভাবিক। তারা এও মনে করেন
যে সরকার ও নির্বাচন সংস্থাগুলোর
প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখতে যথাযথ যোগাযোগ, স্বচ্ছতা ও তত্ত্বাবধানে জোর
দেওয়া প্রয়োজন।
| ফজর | ৪:৪৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৬ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩:৪৩ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৫:১৮ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:০০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২:০০ মিনিট দুপুর |

