1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও
| বঙ্গাব্দ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কি ভেঙে পড়ছে

প্রতিবেদনঃ অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইমঃ 28-03-2026 ইং
  • 41 বার পঠিত
ad728

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাইরেন বাজলে যখন দক্ষিণ ইসরায়েলের অনেক বাসিন্দা বেজমেন্টে আশ্রয় নেন, ৫৪ বছর বয়সী ডেভিড আজরান তখন বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ান। আকাশজুড়ে আলোর অজস্র রেখা দেখা যায়। ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা থেকে ছোড়া ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের বিচ্ছুরণ দেখেন তিনি।

কাঁধে একটি অ্যাসল্ট রাইফেল ঝুলিয়ে খালি পায়ে মাটিতে দাঁড়িয়ে আজরান বলেন, ‘আমি সাধারণ কোনো লোক নই।’ তবে ইসরায়েলের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর তাঁর যে অগাধ আস্থা ছিল, তা এখন টলে গেছে।

গত শনিবার রাতে প্রায় তিন ঘণ্টার ব্যবধানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আরাদ ও ডিমোনার দুটি আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে। এতে আজরান ও তাঁর প্রতিবেশীদের অনেকের ঘরের জানালা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই হামলায় ১১৫ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত ব্যাখ্যা দেয়নি, ঠিক কী কারণে প্রতিরক্ষাব্যবস্থাটি ব্যর্থ হলো। এই হামলা নতুন করে কিছু প্রশ্ন সামনে এনেছে। ইসরায়েলের কাছে পর্যাপ্ত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি দেখা দিয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সেই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের আশঙ্কায় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো রক্ষায় সেনাবাহিনী এই ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সাশ্রয় বা সংরক্ষণ করছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্পর্শকাতর পারমাণবিক স্থাপনা থাকায় ডিমোনা শহরটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুগুলোর একটি।

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ কিছুটা বাড়িয়ে বললেও তাঁর মতে, সুরক্ষিত ডিমোনায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ইসরায়েলের ব্যর্থতা বড় মোড় পরিবর্তনকারী একটি ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলের আকাশ এখন অরক্ষিত।’

ইসরায়েলের জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে পারে—এমন উদ্বেগ থেকেই মূলত ইরানের ওপর নতুন করে হামলা শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে ১২ দিনের সংঘাতের সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছিল। ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি ও লঞ্চার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের মজুতের পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার থেকে কমে ১ হাজার ৫০০-এর নিচে নেমে আসে।

ইসরায়েলের একজন সাবেক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, তাঁদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পক্ষে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত সহ্য করা সম্ভব নয়। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এক বছরের মধ্যেই ইরান এই সংখ্যা ছাড়িয়ে যেতে পারে। সামরিক স্পর্শকাতরতার কারণে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728
ad728