রাজধানীর মনিপুর উচ্চবিদ্যালয়ে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকার অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। যার বেশিরভাগের সাথে জড়িত স্কুলের সাবেক গভর্নিং বডির সভাপতি, আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী কামাল মজুমদার। এমনকি স্কুলের নামে ২৩০ কোটি টাকা ব্যাংক লোনও নিয়েছেন তিনি। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিয়োগ দিয়েছেন অর্ধশতাধিক আত্মীয় স্বজন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে এর সত্যতা পাওয়া গেছে।
রাজধানীর মনিপুর উচ্চবিদ্যালয়ে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকার অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। যার বেশিরভাগের সাথে জড়িত স্কুলের সাবেক গভর্নিং বডির সভাপতি, আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী কামাল মজুমদার। এমনকি স্কুলের নামে ২৩০ কোটি টাকা ব্যাংক লোনও নিয়েছেন তিনি। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিয়োগ দিয়েছেন অর্ধশতাধিক আত্মীয় স্বজন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে এর সত্যতা পাওয়া গেছে।
মনিপুর উচ্চবিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এই স্কুলের ৫টি শাখা রয়েছে, যার চারটিরই কোনো অনুমোদন নাই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই বিদ্যালয়ে ২০০৯ সাল থেকে সভাপতি হিসেবে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা কামাল মজুমদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগ উঠেছে, এই সময়ে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নিজের আত্মীয়-স্বজন ও দলীয় কর্মীদের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারী পদে অর্ধশতাধিক নিয়োগ দেন তিনি। যেখানে পিয়ন পদে বেতন দেওয়া হয় ৫৭ হাজার ৯৫০ টাকা, অফিস সহকারী পদে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা। শিক্ষকদের বেতনও ছিল অস্বাভাবিক।
মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক আব্দুল ওয়াহেদ আনসারী বলেন, ‘দেখতে দেখতে এই স্কুলে এখন সাড়ে ৬০০ জনের মতো শিক্ষক হয়ে গেছে। এইটার নিয়োগ আসলে উনারাই দিয়ে গেছেন।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ, আসবাবপত্র, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কোনো দরপত্রের মাধ্যমে কেনা হয়নি। স্কুলের জমি কেনার জন্য ৫০ কোটি টাকা খরচ করা হলেও সেই জমি স্কুলের নামে রেজিস্ট্রি হয়নি। বিগত ১৫ বছরে অ্যাকাডেমিক উন্নয়ন ভাতার নামে ৮৭ কোটি টাকা লোপাট করা হয়। ৫০ কোটি টাকার আয়কর ফাঁকি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এমনকি কামাল মজুমদারের অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মচারিদের বেতনও দেওয়া হতো এই স্কুলের তহবিল থেকে।
কবিতা নামের এক অভিভাবক বলেন, ‘ব্যাংক লোন করেছে তারা, কিন্তু আমারা স্কুলের অভিভাবকেরাও বেতন দিয়ে থাকি। তাহলে ব্যাংক লোনের তো দরকার হয় না। আমাদের এই স্কুলের অনেক অভিভাবক, অনেক স্টুডেন্ট। টাকাগুলো কোথায় গেল?’
শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, স্কুলের ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে দ্রুতই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক এস এম সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কামাল মজুমদার তার ব্যক্তিগত ইচ্ছায় নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছে, কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। এই প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে, এতে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে।’
| ফজর | ৪:৪৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৬ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩:৪৩ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৫:১৮ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:০০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২:০০ মিনিট দুপুর |

