তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশ থেকে যুদ্ধের আতঙ্ক দূর করতে হবে এবং সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের জনগণ বিপদে থাকবে আর শত্রুপক্ষ নিরাপদ থাকবে, এটা হতে পারে না।’
গত শনিবার (২৮ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানে প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন। তারা এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।
কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে স্থল অভিযান যুদ্ধের একটি নতুন ধাপ শুরু হতে পারে। যুদ্ধের প্রথম চার সপ্তাহের তুলনায় ওই ধাপ ‘উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি বিপজ্জনক’ হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানের প্রাথমিক লক্ষ্য হতে পারে দেশটির তেল রফতানির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখল এবং নৌ চলাচলের হুমকি দূর করার জন্য হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী উপকূলীয় এলাকায় অভিযান।
কর্মকর্তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযান কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে, তবে কয়েক মাস স্থায়ী হতে পারে বলেও কেউ কেউ ধারণা করছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলজুড়ে ইরানের হামলায় ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৩০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।