1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও
| বঙ্গাব্দ

টর্পেডো হামলার পর শ্রীলঙ্কায় আটকে পড়া নাবিকদের ইরানে প্রত্যাবর্তন

প্রতিবেদনঃ অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইমঃ 15-04-2026 ইং
  • 6141 বার পঠিত
ad728

আজ (বুধবার, ১৫ এপ্রিল) শ্রীলঙ্কার উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী আরুনা জয়াসেকারা নিশ্চিত করেন, আইরিস দেনা থেকে উদ্ধার হওয়া ৩২ নাবিক এবং ইরিন্স বুশেহর থেকে ২০৬ নাবিক দেশ ছেড়ে গেছেন।

গত ৪ মার্চ শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ উপকূল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিনের টর্পেডারে আঘাত পেয়ে ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইরিস দেনা ডুবে যায়। এতে ১০৪ নাবিক নিহত হন। এরপর ৫ মার্চ, একটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার পর শ্রীলঙ্কার একটি বন্দরে নোঙর করার অনুরোধ জানালে দেশটি ইরানি নৌযান ইরিন্স বুশেহর-এর নিয়ন্ত্রণ নেয়।

রয়টার্সকে জয়াসেকারা জানান, গতকাল (মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল) রাতে উভয় জাহাজের নাবিকদের বিমানযোগে পাঠানো হয়েছে। আটকে পড়া নাবিকদের শ্রীলঙ্কা সরকার ৩০ দিনের প্রবেশভিসা দিয়েছিল এবং তাদের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর শিবিরে রাখা হয়েছিল।

আইরিস দেনা ভারতের আয়োজিত একটি সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়ে ফিরছিল, তখন ওই হামলার শিকার হয়। ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর যে ভিডিও প্রকাশ করে, তাতে দেখা যায় জাহাজে আঘাত লাগার পর এর পেছনের অংশ ওপরে উঠে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে।

হামলায় নিহত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহ উদ্ধার করে পরে ইরান চার্টার্ড বিমানে দেশে ফিরিয়ে নেয়। আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজটি ডুবে যাওয়ার ঘটনা ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের মাত্র কয়েক দিনের মাথায় ঘটে এবং সংঘাতকে নাটকীয়ভাবে বিস্তৃত করে।

এরপর থেকে ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা হামলা শুরু করে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে। দ্বীপটির উত্তর-পূর্ব উপকূলে নোঙর করা ইরিন্স বুশেহর পরিচালনার জন্য প্রায় ১৫ জন ইরানি নাবিক শ্রীলঙ্কায় থাকবেন।

৫ মার্চ কয়েক ঘণ্টার আলোচনার পর শ্রীলঙ্কা ইরানি নৌযানটিকে উত্তর-পূর্বের একটি বন্দরে ভিড়তে দেয়। সে সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, তারা ‘মানবিকতা রক্ষায় কখনোই পিছপা হবে না।’ তখন এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে বলেন, ‘আমাদের অবস্থান হলো নিরপেক্ষতা রক্ষা করা, একই সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধ প্রদর্শন করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক কনভেনশন মেনে চলা, আমাদের দেশের সুনাম ও মর্যাদা রক্ষা করা এবং মানবজীবন রক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়েই [শ্রীলঙ্কা] হস্তক্ষেপ করেছে।’

শ্রীলঙ্কা ১৯৪৮ সালে স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে জোটনিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ করে আসছে। দেশটির ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—দুই দেশের সঙ্গেই শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।



ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728
ad728