1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও
| বঙ্গাব্দ

মিরপুর মডেল থানার দুই কর্মকর্তা ক্লোজড

প্রতিবেদনঃ অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইমঃ 11-06-2026 ইং
  • 1560 বার পঠিত
ad728

বুধবার (১০ জুন) যুগান্তরে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের ২৪ ঘণ্টা না যেতে মিরপুর মডেল থানার ওই দুই কর্মকর্তাকে ক্লোজড করা হয়েছে। 


বুধবার ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাদের ক্লোজড করা হয়। ওই আদেশে বলা হয় মিরপুর মডেল থানায় কর্মরত এসআই মেহেদী হাসান এবং এএসআই রেজাউল করিমকে প্রশাসনিক কারণে তাদের কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হল। রাজারবাগ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত থেকে তারা নিয়মিত হাজিরা দেবেন ও সরকারি ডিউটি পালন করবেন। 


বিষয়টি নিশ্চিত করে মিরপুর মডেল থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, যুগান্তরের সংবাদটি নজরে এসেছে। মিরপুর থানা থেকে দুই পুলিশকে রাজারবাগে সংযুক্ত করা হয়েছে। 


যুগান্তরের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফুটপাতে পুরাতন মোবাইল বেচাকেনা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মিরপুর ১১ নম্বরের বাসিন্দা আপনকে কুরবানির ঈদের ২ দিন আগে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে মাঝ রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় মিরপুর থানার একটি সিভিল টিম। এরপর আপনের স্ত্রী লাকিকে ফোন করেন মিরপুর থানার এসআই মেহেদী হাসান। দাবি করেন ১ লাখ টাকা। বলেন, এই টাকা না দিলে তার স্বামীকে হেরোইন মামলায় আসামি করা হবে। পরে স্বামীকে বাঁচাতে ৫০ হাজার টাকা দিতে রাজি হন লাকি। মেহেদীর কথা মতো ওই দিনই স্বর্ণ বন্ধক রেখে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে স্বামীকে নিয়ে আসেন লাকি। আর ৫০ হাজার টাকা বাকি রাখেন তিনি। বাকির ওই টাকার জন্য কয়েক দফা ফোনও দেয় পুলিশ। 


সম্প্রতি পুলিশের একটি গোয়েন্দা সংস্থার গোপন প্রতিবেদনে এসআই মেহেদীর ঘুস লেনদেনের এই চিত্র উঠে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিরপুর থানার এসআই মেহেদী হাসান ব্যবসায়ী আপনকে কুরবানির ঈদের ২ দিন আগে আটক করে ৫০ হাজার টাকা ঈদ সালামি রেখে ছেড়ে দেন। ঈদের আগে পুলিশের এই কর্মকর্তা ৫০ হাজার টাকা ঘুস নিয়ে চাঁদরাতের দেখা পেলেও দুর্দশায় আছেন ভুক্তভোগী পরিবার। টাকার অভাবে বন্ধকী স্বর্ণ ছাড়াতে পারেনি তারা। 


আপন বলেন, চোরাই মোবাইল বিক্রির অপবাদ দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায় মেহেদী। ঈদের আগে সে টাকার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। এ জন্য আমার স্ত্রীর কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করে।পরে স্বর্ণ বন্ধক রেখে  ৫০ হাজার দিলে ছেড়ে দেয়। 


এ ব্যাপারে মিরপুর থানার এসআই মেহেদী হাসান বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছু জানি না। এ ধরনের ঘটনা আমিও শুনেছি। কে তাকে ধরছে আগে জিজ্ঞাসা করেন। ও নামে ভুল বলছে। এটা ভুল কথা। আমি কারো কাছ থেকে টাকা নেইনি।  

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728
ad728