রাজধানীর পল্লবী থানা থেকে মো. শহিদুল ইসলাম (২০) নামে ডিএমপি প্রসিকিউশনের এক সাজাপ্রাপ্ত আসামির পলায়নের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে পল্লবী থানায় এ ঘটনাটি ঘটে।
পলাতক শহিদুল ডিএমপি প্রসিকিউশনের ২ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তার বাবার নাম মতিন মিয়া। তিনি ভাষানটেক থানার আবুলের পোড়া বস্তির বাসিন্দা। তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার আইলাসমিতি এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের কোর্ট বসে। ওই কোর্টে মিরপুর বিভাগের ৭টি থানার অপরাধীদের ডিএমপি অধ্যাদেশে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। শহিদুল ভাষানটেক থানার ডিএমপি অধ্যাদেশ প্রসিকিউশন ৭৭/১০০ ধারায় স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দুই মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি।
আরও জানা গেছে- মিরপুর বিভাগের কাফরুল, ভাষানটেক, রুপনগর ও শাহআলী থানার প্রতিদিনের ডিএমপির অধ্যাদেশে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের পল্লবী থানার হাজতে রাখা হয়। ঘটনার দিন মিরপুর মডেল থানার আসামি স্কট পার্টির মাধ্যমে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় জেলখানার উদ্দেশে পল্লবী থানার হাজত খানা থেকে শহিদুলকে হাত কড়া পরিয়ে নিচে নামিয়ে প্রিজনভ্যানের কাছে আনা মাত্রই তিনি কৌশলে হ্যান্ডকাপ খুলে পল্লবী থানার বাউন্ডারি টপকিয়ে পালিয়ে যায়।
এদিকে পল্লবী থানা থেকে আসামি পলায়নের খবর ছড়িয়ে পড়লেও থানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে লুকোচুরি করছেন। তারা মুখে কুলুপ এঁটেছেন। আসামি পলায়নের খবরে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে ডিএমপির মিরপুরে বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকারকে ফোন দিলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।