বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব বিক্রির বিতর্কিত পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর এবার চরম সংকটে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ফিফা কাউন্সিলের একাংশের সদস্যরা তার বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছেন।
তারা একটি জরুরি সাধারণ সভা (ইজিএম) আয়োজনের চেষ্টা করছেন, যা পরবর্তীতে ইনফান্তিনোর ওপর অনাস্থা আনার সরাসরি লড়াইয়ে রূপ নিতে পারে।
ব্রিটিশ দৈনিক ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিশ্বকাপ বিক্রির পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার আগেই ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ইজিএম আহ্বানের তৎপরতা শুরু হয়েছিল।
বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড় ফোলারিন বালোগানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি তুলেছেন কাউন্সিলের সদস্যরা। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একাধিক ফোনকলের পরই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছিল।
ফিফার সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্ষদ ‘ফিফা কাউন্সিল’-এ ৩৭ জন সদস্য রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, ১৯ জন সদস্যের সম্মতিতে ইজিএম ডাকা সম্ভব।
জানা গেছে, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ছোট ভাই জশুয়া কুশনারের প্রতিষ্ঠান ‘থ্রাইভ ক্যাপিটাল’-এর কাছে নতুন বিশ্বকাপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের ২০ শতাংশ শেয়ার বিক্রির গোপন প্রস্তাবের কথা জানার আগেই বিদ্রোহী সদস্যের সংখ্যা ১০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
বালোগান কাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করতে না চাইলে অসন্তোষ প্রকাশ করা সদস্যরা সরাসরি ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করার পরিকল্পনা করেছিলেন। ট্রাম্পের চাপে নতিস্বীকার করায় ফিফা তাদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নিয়ম ভঙ্গ করেছে; এমন অভিযোগ এনে নরওয়েজিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছে।
এ জাতীয় আরো খবর..