আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে বৈঠকে বসছেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টায় জাতীয়
সংসদ ভবনে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের খাসকামরায় এই সমন্বয় সভা আয়োজনের কথা রয়েছে।
উভয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এ সভায় নির্বাচন কমিশনারগণ, ইসি এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে নির্বাচনের কারিগরি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির বিষদ পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেবেন।
নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলে আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ ভবনের ভেতরেই গোপন ব্যালেটে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।
উল্লেখ্য, এবারের রাষ্ট্রপতি পদে ইতোমধ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থন পেয়েছেন এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। তবে প্রধান শাসকদল বিএনপি এখন পর্যন্ত তাদের প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত বা প্রকাশ করেনি।
যদি শেষ পর্যন্ত একাধিক প্রার্থীর লড়াই বজায় থাকে, তবে ১৯৯১ সালে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালুর পর এটিই হবে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি পদের জন্য ভোটাভুটি। ১৯৯১ সালে তৎকালীন শাসকদল বিএনপির আবদুর রহমান বিশ্বাস
ভোটাভুটির মাধ্যমে জয়ী হয়েছিলেন, যেখানে জাতীয় পার্টি ও জামায়াতসহ কিছু রাজনৈতিক দল ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল। এরপরের টানা সাতটি নির্বাচনে রাষ্ট্রপ্রধানরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়ে আসছিলেন।
প্রাথমিকভাবে এবারও একক প্রার্থী থাকার গুঞ্জন থাকলেও বিরোধী জোটের প্রার্থী ঘোষণার পরপরই নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। সেই জরুরি পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই ইসি কর্তারা সংসদ সচিবালয়ের সঙ্গে এই সমন্বয় বৈঠকে বসছেন।