1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

রাষ্ট্রপতি পদে উত্তরবঙ্গের প্রাপ্তি মার্জিত জননেতা মির্জা ফখরুল

প্রতিবেদনঃ অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইমঃ 14-08-2026 ইং
  • 12698 বার পঠিত
ad728

কোনো সন্দেহ নেই বাংলাদেশের রাজনীতির উত্তাল ও সংঘাতময়। এমন দশায় মার্জিত আচরণ, শান্ত সৌম্য ভাবমূর্তি এবং মেধাভিত্তিক নেতৃত্ব দিয়েই নিজের আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন একজন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দীর্ঘ সময় ধরে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে মামলা, হামলা আর কারাবাসের কঠিন অগ্নিপরীক্ষা পার হতে হয়েছে তাকে।

 

তবে এই সমস্ত প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি কখনও রুচিশীলতা কিংবা শালীনতার সীমা অতিক্রম করেননি। আর সে কারণেই উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে এখন একটি সম্ভাবনার সুর প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—উত্তরবঙ্গ কি তবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে পেতে যাচ্ছে এমন একজন মার্জিত জননেতাকে?

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্ম ও বেড়ে ওঠা উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে। স্থানীয় রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে তিনি আজ জাতীয় রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু।

 

প্রথাগত রাজনীতিকদের থেকে এই মানুষটি কিছুটা আলাদা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে কর্মজীবনের সূচনা করেছিলেন শিক্ষকতা দিয়ে। পরবর্তীতে রাজনীতির ময়দানে পদার্পণ করলেও তার কথাবার্তা, আচরণ এবং প্রকাশ ভঙ্গিতে সেই শিক্ষকসুলভ ভদ্রতা ও পরিমিতিবোধ সর্বদা স্পষ্ট থেকেছে। তীব্র রাজনৈতিক বিরোধিতার মুখেও প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যে তার মুখে শ্রুতিকটু শব্দ বা অসৌজন্যমূলক বক্তব্য শোনা যায়নি কখনোই।

 

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে উত্তরবঙ্গের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ ‘রাষ্ট্রপতি’ আসনে উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব খুব বেশি দেখা যায়নি। দীর্ঘদিন রংপুরকেন্দ্রিক একটি বলয় তৈরি করেছিলেন এরশাদ। তবে নানা কারণে এই রাজনৈতিক চরিত্রটি বিতর্কিত। ফলে মির্জা ফখরুলের মতো একজন বর্ষীয়ান ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় রাজনীতিবিদকে এই পদে দেখার প্রত্যাশা উত্তরের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে স্বাভাবিকভাবেই জেগে উঠেছে।

 

একজন রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের অভিভাবক এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। এই পদের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে যে ধৈর্য, বুদ্ধিবৃত্তিক গভীরতা ও রাষ্ট্রনায়কসুলভ আচরণের প্রয়োজন, তার অনেকটাই মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিসত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

 

দলীয় সংকটে অটল থেকে তিনি যেভাবে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছেন, তা রাজনীতিতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সাক্ষ্য দেয়। তিনি কেবল কোনো নির্দিষ্ট দলের প্রতিনিধিত্ব করেন না, বরং জাতীয় রাজনীতিতে সুশীল সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের কাছেও একজন ভদ্র ও সজ্জন ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।

 

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে একজন মার্জিত ব্যক্তিত্বের অধিষ্ঠান রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। উত্তরবঙ্গের সন্তান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যদি ভবিষ্যতে বঙ্গভবনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তবে তা কেবল উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য গর্বের বিষয় হবে না; বরং তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও শালীনতার নতুন ধারা সূচনা করবে। সময়ের আবর্তে এই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর নির্ভর করলেও, উত্তরবঙ্গবাসীদের হৃদয়ে সেই প্রত্যাশার দীপ শিখা কিন্তু জ্বলেই চলেছে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..