1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

আকাশে হঠাৎ ৩০০ ফুট নিচে নামল এয়ার ইন্ডিয়া! ২৪ যাত্রী আহত, পাইলটের ডোপ টেস্টে বিতর্ক

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 15-08-2026 ইং
  • 12062 বার পঠিত
ad728

ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি এয়ারবাস এ৩২০ বিমান উড্ডয়নের পরপরই মারাত্মক যান্ত্রিক ক্রুটি এবং নিয়ন্ত্রণ হারানোর মুখোমুখি হয়েছিল।

হঠাৎ করেই বিমানের তিনটি হাইড্রোলিক সিস্টেমের চাপ বন্ধ হয়ে গেলে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে বিমানটি প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়।

এই সময় প্রবল ঝাঁকুনিতে বিমানে থাকা ২৪ জন যাত্রী ও ক্রু আহত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স সূত্রে জানা গেছে।

৪ সেকেন্ডের ব্ল্যাকআউট ও আকস্মিক পতন

এয়ারবাসের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট ‘ফ্লাইট এআই২৩৭৯’-এ ঘটনাটি ঘটে।

আকাশে ওঠার পরপরই খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে বিমানের তিনটি হাইড্রোলিক সিস্টেমেই সিস্টেম-প্রেশার শূন্যে নেমে আসে।

এর ফলে প্রায় চার সেকেন্ডের জন্য পাইলটরা বিমানের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা—‘এলিভেটর’ (উচ্চতা নিয়ন্ত্রণকারী) এবং ‘আইলেরন’ (ডানে-বাঁয়ে ঘোরানোর ব্যবস্থা)—ব্যবহার করতে ব্যর্থ হন।

বিমানটির সামনের অংশ ওপরের দিকে থাকা অবস্থায় ফার্স্ট অফিসার তা নিচে নামানোর চেষ্টা করলেও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া দেয়নি।

তবে সৌভাগ্যবশত কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই হাইড্রোলিক চাপ আবার স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং বিমানটি পরবর্তীতে নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।

তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ও এয়ারবাসের নির্দেশনা

কেন একসাথে তিনটি হাইড্রোলিক সিস্টেম বিকল হয়ে গিয়েছিল, তার সঠিক কারণ এখনও অস্পষ্ট।

এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো (এএআইবি)। তাদের সঙ্গে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে এয়ারবাস ও ফ্রান্সের তদন্ত সংস্থা বিইএ।

এয়ারবাসের পক্ষ থেকে এয়ার ইন্ডিয়াকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:

  • বিমানের হাইড্রোলিক সিস্টেম, প্রেশার সেন্সর ও সংশ্লিষ্ট সুইচের সংযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা।

  • নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়ায় বিমানের কাঠামোগত (Structural) কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা যাচাই করা।

পাইলটের ডোপ টেস্টে গাঁজা শনাক্ত!

ঘটনাটি শুরুতে ‘টার্বুলেন্স’ বা বাতাসের ধাক্কা বলে চালিয়ে দিতে চাইলেও পরবর্তীতে এয়ার ইন্ডিয়া সেই বক্তব্য থেকে সরে আসে।

এদিকে, ঘটনার পর সংক্রান্ত একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে বিমানের ক্যাপ্টেনের ড্রাগ পরীক্ষায় গাঁজার অস্তিত্ব (ক্যানাবিস) পাওয়া গেছে।

যদিও বিমান নিয়ন্ত্রণ হারানোর পেছনে পাইলটের এই বিষয়ের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল কি না তা এখনও প্রমাণিত হয়নি, তবে এই ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়া তাদের সকল পাইলটের জন্য বাধ্যতামূলক মাদক পরীক্ষা চালু করেছে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..