1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

বিশ্বজুড়ে স্পাইওয়্যার আতঙ্কের খবর: ১১০ দেশের অ্যাপল ব্যবহারকারীদের সতর্কবার্তা

প্রতিবেদনঃ অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইমঃ 16-08-2026 ইং
  • 11090 বার পঠিত
ad728

উন্নত প্রযুক্তির স্পাইওয়্যার আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের ১১০টি দেশের আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে অ্যাপল। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এসব ঝুঁকিপূর্ণ গ্রাহকদের সুরক্ষা দিতেই গত বৃহস্পতিবার আইফোন প্রস্তুতকারক এই জায়ান্ট কোম্পানিটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক্ষেপ নেয়।

অ্যাপল জানায়, এই সাইবার আক্রমণগুলো সাধারণ ম্যালওয়্যার বা সাধারণ সাইবার অপরাধ থেকে বহু গুণে জটিল ও বিপজ্জনক। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিত্ব ও তাদের ডিজিটাল ডিভাইস লক্ষ্য করে তৈরি এসব স্পাইওয়্যার তৈরিতে কোটি কোটি ডলার অর্থ ব্যয় করা হয়। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, এই ক্ষতিকর প্রোগ্রামগুলো খুব অল্প সময়ের জন্য কার্যকর থেকে দ্রুত উধাও হয়ে যায়, যা শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন।

তবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই উল্লেখ করে অ্যাপল জানায়, অধিকাংশ মানুষই জীবনে কখনো এই ধরনের জটিল সাইবার অ্যাটাকের মুখে পড়েন না। বিভিন্ন গবেষণা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণ নিশ্চিত করে যে, রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে বা সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো—যেমন এনএসও গ্রুপের বিতর্কিত ‘পেগাসাস’—এই ধরনের স্পাইওয়্যার তৈরি করে থাকে। প্রধানত সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, অধিকারকর্মী ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিকরাই এসব ব্যক্তিকেন্দ্রিক আক্রমণের মূল লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকেন।

অ্যাপলের সতর্কবার্তা পাওয়া ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে:

লকডাউন মোড চালু করা: ডিভাইসের বাড়তি নিরাপত্তার জন্য অ্যাপলের বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবস্থা ‘লকডাউন মোড’ সক্রিয় করা।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: প্রয়োজনে সার্বক্ষণিক জরুরি সহায়তা পেতে অলাভজনক সংস্থা ‘অ্যাকসেস নাও’-এর পরিচালিত ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি হেল্পলাইন’-এ যোগাযোগ করা।

সাধারণ গ্রাহকদের জন্য নিরাপত্তা নির্দেশিকা
উন্নত স্পাইওয়্যার ঝুঁকি এড়াতে সব আইফোন ব্যবহারকারীকেই কিছু মৌলিক অভ্যাসের ওপর গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে:

সফটওয়্যার আপডেট: আইফোনের সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত আপডেট রাখা।

বায়োমেট্রিক ও পাসকোড: ডিভাইস সুরক্ষায় টাচ আইডি, ফেস আইডি ও শক্তিশালী পাসকোড ব্যবহার।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ও পাসকি: অ্যাপল অ্যাকাউন্টের জন্য দ্বিস্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা (2FA), শক্তিশালী স্বতন্ত্র পাসওয়ার্ড এবং সম্ভব হলে ‘পাসকি’ সুবিধা ব্যবহার করা।

স্টোলেন ডিভাইস প্রটেকশন: ফোন চুরি বা হাতছাড়া হলে ডাটা নিরাপদ রাখতে ‘Stolen Device Protection’ ফিচার সক্রিয় করা।

অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোর: থার্ড-পার্টি বা অননুমোদিত কোনো মাধ্যম থেকে অ্যাপ ইনস্টল না করে কেবল অফিসিয়াল 'অ্যাপ স্টোর' ব্যবহার করা।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..