মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যুদ্ধ এড়িয়ে আলোচনার টেবিলে বসার পরামর্শ দিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান।
এই দুই দেশের মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার যেকোনো চেষ্টায় তুরস্ক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) তুর্কি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়, দুই বিচারপতির এক টেলিফোন সংলাপে এরদোয়ান এই অবস্থান স্পষ্ট করেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ওয়াশিংটন ও তেহরানের দীর্ঘদিনের সংকট সমাধানে সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই।
শান্তি বজায় রাখতে আঙ্কারা সব সময় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ন্যাটো জোটের প্রভাবশালী সদস্য এবং ইরানের প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় শুরু থেকেই সহিংসতা এড়ানোর ওপর জোর দিয়ে আসছে তুরস্ক।
মার্কিন প্রশাসন, ইরানসহ মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতারের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে দেশটি।
সম্প্রতি আমেরিকার যুদ্ধবিরতি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এবং ইরানের পক্ষ থেকে চরম পাল্টা পদক্ষেপের হুমকির পরপরই ট্রাম্প-এরদোয়ানের এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হলো।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ফোনালাপে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি গাজা পরিস্থিতি এবং তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়েও আলোচনা হয়।
এই চুক্তিকে এ অঞ্চলের স্থায়ী শান্তির ভিত্তি হিসেবে ব্যাখ্যা করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।
একই সঙ্গে গাজায় হামলা বেড়ে চলায় উদ্বেগ প্রকাশ করলেও এই যোগাযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক কার্যালয় থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।