দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী করতে এবং বিপুল জনসংখ্যাকে প্রকৃত মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম
এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, "দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের শুধু গতানুগতিক শিক্ষাগ্রহণের প্রাচীন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।"
আজ রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর সোবহানবাগে ‘দক্ষ ও উৎপাদনশীল বাংলাদেশের লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক এক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনানুযায়ী বিপুল জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশ্ববাজারে দক্ষ জনশক্তির বিপুল চাহিদার কথা
উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রবাসী কর্মীরা আমাদের অর্থনীতির প্রাণ। তাদের যদি যথাযথ কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে পাঠানো যায়, তবে রেমিট্যান্সের পরিমাণ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
কারিগরি শিক্ষার প্রসারে সরকারের গৃহীত নতুন পদক্ষেপের কথা জানিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, "আমরা দেশে আরও চারটি নতুন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করতে যাচ্ছি। একই সাথে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে একটি
আধুনিক 'মডেল প্রতিষ্ঠান' হিসেবে গড়ে তুলতে আলাদা একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।"
অনুষ্ঠানে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান জাতীয় সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং সিসিএন পলিটেকনিক
ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ড. মো. তরিকুল ইসলাম চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন।