আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) অডিটে কাঙ্ক্ষিত গ্রেড অর্জন করা সম্ভব হলে আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই নিউইয়র্কে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সরাসরি ফ্লাইট চালু হতে পারে বলে জানিয়েছেন
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিমানমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর সচিবালয়ে তাঁর প্রথম কার্যদিবসে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজ সংকট রয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যসহ যেসব গন্তব্যে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ ও বরাদ্দ রয়েছে, সেখানে নতুন ফ্লাইট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এই সংকট সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে লিজ চুক্তি সম্পন্ন করে পরবর্তী বছর থেকেই এগুলো বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে বোয়িংয়ের সঙ্গে
সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী নতুন উড্ডয়ন যানগুলো ২০৩১ সাল থেকে আসা শুরু করবে।
বিমানমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ দ্রুত এগোচ্ছে। চলতি মাসের ২৫ তারিখে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো দরপত্র জমা দেওয়ার পর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি
নাগাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর টার্মিনালটির সফট ওপেনিং করার প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে, তবে কাজের শতভাগ মান নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে সময় আরও এক-দুই মাস বাড়ানো হতে পারে।
এছাড়া এভিয়েশন খাতে সমন্বিত কাজের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, পর্যটন খাত এবং বিমানের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালনে সফল হতে হবে। কাজের ওপর ভিত্তি করে
যোগ্যদের পুরস্কৃত করা হবে এবং ব্যর্থদের সম্মানজনকভাবে সরিয়ে নতুনদের দায়িত্ব দেওয়া হবে।