1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

গঠনমূলক সমালোচনা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছ সরকার: নির্বাচন-পরবর্তী আলোচনা সভায় আইনমন্ত্রী

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 24-08-2026 ইং
  • 10609 বার পঠিত
ad728

সরকার গঠনমূলক সমালোচনাকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, সমালোচনা ও যৌক্তিক পরামর্শের মাধ্যমেই সংস্কারের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে

দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব

কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, "সরকারের সমালোচনা করা নাগরিকদের একটি মৌলিক অধিকার এবং এই অধিকার সুরক্ষা দেওয়া সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলগুলো স্বাধীনভাবে তাদের কর্মসূচি

পালন করবে এবং সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করবে।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার এমন এক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়, যেখানে মানুষ নির্ভয়ে কথা বলতে পারে। অতীতে লেখক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের মতপ্রকাশের কারণে যে হয়রানি বা

গ্রেপ্তারের সংস্কৃতি ছিল, সেখান থেকে বের হয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করছে।

আলোচনা সভার প্রধান দিকসমূহ ও বক্তব্য:

  • আইন সংশোধন ও বিচার বিভাগ: আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, কোনো আইনই চূড়ান্ত বা অপরিবর্তনযোগ্য নয়। প্রয়োগিক ক্ষেত্রে সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দিলে সরকার সর্বদা উন্মুক্ত থাকবে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা,

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি সুনিশ্চিত করার প্রতি জোর দেন তিনি।

  • সংবিধান সংস্কার ও ‘জুলাই সনদ’: সংবিধানের মৌলিক কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে প্রয়োজনীয় সংস্কারের দিকে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। আইনমন্ত্রী জানান, সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলসহ সকল অংশীজনের প্রতিনিধিত্ব ও

    মতামতকে স্বাগত জানানো হবে।

  • গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার আইন: আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ওপর ব্যাপক পর্যালোচনা চালানো হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

  • সিজিএস-এর ভূমিকা: সিজিএস সভাপতি জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় অন্যান্য বক্তারা নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে

    শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, গণফোরাম সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সোহরাব হাসানসহ বিভিন্ন

রাজনৈতিক, নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিরা।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..