কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) জব্দ করা হয়েছে। এসব অভিযানে একজন মিয়ানমার নাগরিককে আটক করা সম্ভব
হলেও অন্যান্য চোরাকারবারীরা নাফ নদী ও সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যায়।
আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) বিজিবির ৬৪ ও ২ ব্যাটালিয়নের যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে এসব অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।
অভিযানসমূহের সারসংক্ষেপ:
হ্নীলা বিওপির অভিযান (৬৪ বিজিবি): গতকাল রোববার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে বস্তা মাথায় বাংলাদেশে ঢোকার সময় তিন পাচারকারীকে চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি। তারা বস্তা ফেলে
পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে খাকি প্যাকেটে রাখা ৪,০০,০০০ (চার লাখ) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
লেদা বিওপির অভিযান (২ বিজিবি): নাফ নদীর লেদা খাল এলাকায় একদল চোরাকারবারীকে চ্যালেঞ্জ করা হলে তারা মাছের ঝুড়ি ফেলে নৌকাযোগে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরে পরিত্যক্ত ঝুড়ি থেকে ৫০,০০০ পিস ইয়াবা
উদ্ধার করা হয়।
সাবরাং বিওপির অভিযান (২ বিজিবি): ভোরবেলা নাফ নদীতে বিজিবির ফ্যান্টম বোট দেখে নৌকায় থাকা তিন পাচারকারী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারে পালিয়ে গেলেও মো. শাহ আলম (৫০) নামে এক মিয়ানমার নাগরিককে
আটক করে বিজিবি। পরবর্তীতে নৌকাটির গোপন কুঠুরি তল্লাশি করে ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) জব্দ করা হয়।
বিজিবির সংশ্লিষ্ট অধিনায়কেরা জানান, নাফ নদী ও সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি এবং নৌ-টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তি ও উদ্ধার করা মাদকের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় মামলা দায়েরের কার্যক্রম শেষ
পর্যায়ে রয়েছে।