কোলেস্টেরল মূলত এক ধরনের চর্বি জাতীয় পদার্থ, যা আমাদের শরীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও এর ভারসাম্যহীনতা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। শরীরে সাধারণত দুই ধরনের কোলেস্টেরল থাকে— একটি হলো লো ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন (LDL) বা ‘বাজে কোলেস্টেরল’ এবং অপরটি হাই ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন (HDL) বা ‘ভালো কোলেস্টেরল’।
রক্তে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদরোগসহ নানা জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই-এর স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় কিছু বিশেষ খাবার যুক্ত করে সহজেই এই বাজে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
১. ওটমিল (Oatmeal): ওটমিলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় খাদ্যআঁশ। এটি রক্তে বাজে কোলেস্টেরল তৈরিতে বাধা দেয় এবং তা শোষণে সাহায্য করে।
২. রসুন (Garlic): অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদানে ভরপুর রসুন রক্তনালীতে চর্বি জমতে দেয় না, যা কোলেস্টেরল কমাতে দারুণ উপকারী।
৩. বাদাম (Nuts): ওয়ালনাট বা আখরোটসহ বিভিন্ন বাদামে উপকারী চর্বি (Healthy Fats) থাকে। প্রতিদিন একমুঠো বাদাম খেলে রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।
৪. সবুজ শাকসবজি (Vegetables): পালং শাক ও ব্রকলির মতো পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত সবজি রক্তে বাজে কোলেস্টেরল সঞ্চয় রোধ করতে অত্যন্ত কার্যকর।
৫. তাজা ফলমূল (Fruits): কমলা, আঙুর এবং প্রতিদিন অন্তত একটি আপেল খেলে তা শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
৬. দারুচিনি (Cinnamon): বিশেষ করে শীতকালীন সময়ে খাদ্যতালিকায় দারুচিনি রাখলে এটি রক্তের ক্ষতিকর চর্বির বিরুদ্ধে লড়াই করে তা স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে।
৭. কাঁচা পেঁয়াজ (Onions): পেঁয়াজে রয়েছে 'কোয়ারসেটিন' নামক উপাদান, যা বাজে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সালাদের সাথে কাঁচা পেঁয়াজ রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।