দীর্ঘ সাত বছর পর কূটনৈতিক বরফ গুলিয়ে ভারত সফরে আসতে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
২০২০ সালে লাদাখ সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও গালওয়ান উপত্যকা কাণ্ডের পর দুই প্রতিবেশী পরাশক্তির মধ্যে যে চরম বৈরিতা ও সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, তা স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে এই সফরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সফরের প্রস্তুতি ও কূটনৈতিক অগ্রগতি:
বিশাল প্রতিনিধি দল: ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক সূত্রমতে, এবারের সফরে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে চীনের প্রায় ৪০০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও প্রতিনিধি থাকতে পারেন।
নিরাপত্তা ও লজিস্টিক প্রোটোকল: বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, চীনের একটি উচ্চপর্যায়ের অগ্রবর্তী দল ইতোমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছানোর পর নিরাপত্তা প্রোটোকল ও হোটেল বুকিং সংক্রান্ত লজিস্টিক কাজ চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত সময় পার করছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া: সফর সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ব্রিকস সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং ভারতের সভাপতিত্বকে পূর্ণ সমর্থন করে।
সীমান্ত কূটনীতি ও অজিত দোভালের বেইজিং সফর: ৩,৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ বিতর্কিত হিমালয় সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চলমান রয়েছে।