ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে আবারো ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এই হামলার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
হামলা ও প্রেক্ষাপটের প্রধান প্রধান বিষয়সমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:
আক্রান্ত স্থানসমূহ: বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ, চাবাহার, কোনারাক, কুহেস্তাক, জাস্ক, সিরিক, লাভান দ্বীপ এবং আসালুয়েহসহ বিভিন্ন কৌশলগত ও উপকূলীয় এলাকায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
ক্ষয়ক্ষতি ও বেসামরিক হতাহত: ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সূত্রে জানা গেছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে মার্কিন বিমান হামলার সময় একটি বিবাহ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সাধারণ নাগরিক আহত হয়েছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা: ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, মঙ্গলবার ইস্টার্ন টাইম দুপুর ১২টা (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) থেকে মার্কিন বাহিনী আইআরজিসির (ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস) বিভিন্ন ঘাঁটিতে সুনির্দিষ্ট আক্রমণ শুরু করে।
হামলার সাম্প্রতিক পটভূমি: গত সোমবার (৩১ আগস্ট) গভীর রাতে হরমুজ প্রণালিতে ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেলবাহী সৌদির দুটি সুপারট্যাংকারে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এর আগে রোববার জর্ডানে অবস্থিত দুটি মার্কিন বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল আইআরজিসি, যদিও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কারণে সেগুলো ব্যর্থ হয়।
ইরানের পাল্টা ব্যবস্থা: এই হামলার পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ও সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া ও ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়ার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছে।