1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

মাঝরাতে বন্দিদের নদীতে ফেলে হত্যা ও গুম করতেন জিয়াউল আহসান: ট্রাইব্যুনালে ট্রলার মাঝির চাঞ্চল্যকর সাক্ষ্য

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 02-09-2026 ইং
  • 4437 বার পঠিত
ad728

সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে ১০ম সাক্ষী হিসেবে হাজির হয়ে তিনি ২০১০ ও ২০১১ সালের বিভৎস সব অভিজ্ঞতার বিবরণ দেন।

সাক্ষ্যের মূল তথ্য ও উঠে আসা চাঞ্চল্যকর বিবরণসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:

  • মাঝরাতে অপারেশন ও ট্রলারে বন্দি পরিবহন: সাক্ষ্যে আব্বাস মল্লিক জানান, অভিযানের দিন বিকেলেই সাদা পোশাকের র‍্যাব সদস্যরা দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দিতেন। রাত ১১টা থেকে ১২টার দিকে ঢাকার দিক থেকে চোখ ও হাত বাঁধা বন্দিদের মাইক্রোবাসে করে নিয়ে এসে সুন্দরবনসংলগ্ন চরদুয়ানি বাজারের বরফ মিলের সামনে থামানো হতো এবং ট্রলারে তোলা হতো।

  • নদীতে গুলি ও লাশ গুমের নৃশংস পদ্ধতি: ট্রলার বলেশ্বর নদীর গভীর পানিতে পৌঁছালে জিয়াউল আহসান নিজে এসে বন্দিদের মাথায়, কানে অথবা বুকে গুলি করতেন। লাশ যেন ভেসে না ওঠে সে জন্য পেট কেটে ফেলা হতো এবং গলায় বা পায়ে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হতো।

  • ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নাটক সাজানো: অনেক বন্দিকে ট্রলার থেকে নামিয়ে সুন্দরবনের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নাটক সাজিয়ে হত্যা করা হতো। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের ডেকে থানায় লাশ হস্তান্তর করা হতো বলে জানান সাক্ষী।

  • ছোট ভাই নিখোঁজ ও বিচার দাবি: প্রত্যক্ষদর্শী এই মাঝি জানান, তাঁর ছোট ভাই আলকাছ মল্লিক র‍্যাবের এসব কর্মকাণ্ডের কথা বাজারে আলোচনা করায় ২০১১ সালে ‘জিয়া স্যার ডেকেছেন’ বলে ফোন করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ মেলেনি। জিডি করতে গেলে পুলিশ জিয়াউল আহসান বা র‍্যাবের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানায়। সাক্ষ্যের শেষ পর্যায়ে আব্বাস মল্লিক কাঠগড়ায় থাকা জিয়াউল আহসানকে সরাসরি শনাক্ত করে তাঁর ভাই নিখোঁজের বিচার দাবি করেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..