মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র
আবারও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির দোরগোড়ায়। প্রথম মেয়াদে তার প্রশাসনে যে ৩৫ দিনের রেকর্ড শাটডাউন ঘটেছিল, এবারও তেমনই এক দীর্ঘ শাটডাউনের
আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
গত
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) স্থানীয়
সময় সিনেটে অস্থায়ী তহবিল বিল পাসে ব্যর্থ হওয়ায়
এই অচলাবস্থা আরও ঘনীভূত হয়েছে। রিপাবলিকান-সমর্থিত এই বিলটি পাস
না হওয়ায় সরকারের বিভিন্ন খাতের তহবিল বরাদ্দ বন্ধ রয়েছে, যা ইতোমধ্যেই সরকারি
কার্যক্রমে বড় ধরনের স্থবিরতা
এনেছে।
বাজেট
পাসের ক্ষেত্রে মূল বিরোধ দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা কর হ্রাস ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে।
ডেমোক্র্যাটরা স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে
বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আইনসভায় অনড় থাকায় উভয়পক্ষের সমঝোতা সম্ভব হয়নি।
সিনেটরদের
মধ্যে বিতর্কে তীব্রতা বাড়ছে, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট শিবির এই বিলকে “জনস্বার্থবিরোধী” এবং “ধনীদের পক্ষে পক্ষপাতদুষ্ট” বলছে।
প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন,
“দেশের অর্থনীতি
ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজন হলে দীর্ঘ শাটডাউনেও যেতে হবে।”
বিশ্লেষকরা
বলছেন, নির্বাচনের আগমুহূর্তে বাজেট অচলাবস্থা ট্রাম্পের কৌশল হতে পারে, যেখানে তিনি জনগণকে দেখাতে চান যে তিনি ‘অদম্য এবং আপসহীন নেতৃত্ব’ দিতে প্রস্তুত।
২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনে ৩৫ দিনের শাটডাউন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘতম। এবারও পরিস্থিতি যদি দ্রুত সমাধান না হয়, তাহলে সেই রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না পর্যবেক্ষকরা।