জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, দিবা পরিচর্যা কেন্দ্র শুধু শিশুদের নিরাপদে রাখার স্থান নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক।
সোমবার (৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর পানি ভবনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘কেয়ারগিভাররা একই সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। একদিকে তারা কর্মজীবী মায়েদের নিশ্চিন্তে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছেন, অন্যদিকে শিশুদের মধ্যে সততা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা, দেশপ্রেম, কৌতূহল ও সহনশীলতার মতো মূল্যবোধ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখছেন। এর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ভিত্তি নির্মাণে সহায়তা করছেন।’
তিনি বলেন, 'দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫০ দশমিক ৫৮ শতাংশ নারী এবং প্রায় ২৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ মানুষের বয়স শূন্য থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। অথচ বর্তমানে ১২৩টি চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে মাত্র ৭ হাজার ৩৬০ শিশুর পরিচর্যার ব্যবস্থা রয়েছে, যা মোট শিশু জনসংখ্যার মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৩৪ শতাংশ।'
তিনি আরও বলেন, 'পর্যাপ্ত দিবা পরিচর্যা কেন্দ্র না থাকায় অনেক কর্মজীবী মা সন্তানকে বাসায় একা রেখে কাজে যেতে বাধ্য হন। এতে তারা যেমন কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন, তেমনি শিশুরাও প্রয়োজনীয় পরিচর্যা, প্রারম্ভিক শিক্ষা ও সমবয়সীদের সঙ্গে বেড়ে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়।'
ডা. জুবাইদা রহমানের মতে, মানসম্মত ও সার্বজনীন দিবা পরিচর্যা কেন্দ্র শিশুদের জ্ঞানভিত্তিক, সামাজিক ও মানসিক বিকাশের শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে পারে। তাই এ ধরনের কেন্দ্র সারা দেশে সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।