1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

নিউজিল্যান্ডের দরবারে বাংলাদেশের ৩ অর্থনৈতিক প্রস্তাব

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 11-08-2026 ইং
  • 14265 বার পঠিত
ad728

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিতে দেশটির রাজধানী ওয়েলিংটনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট তিনটি দাবি ও প্রস্তাব

তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে ঢাকা যেসব প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে, সেগুলোর মধ্যে প্রধান হলো—নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর, আঞ্চলিক ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে (আরসিইপি) বাংলাদেশের অন্তর্ভূক্তি এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বের হওয়ার সময়সীমা ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো।

এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান। সাথে ছিলেন ওয়েলিংটনের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর ইশতিয়াক আহমেদ। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিদলের দায়িত্বে ছিলেন দেশটির ট্রেড নেগোসিয়েশনস অ্যান্ড পলিসি ডিভিশনের শীর্ষ কর্মকর্তা সারা মেম্যান্ড

এবং জোনাস হোল্যান্ড।

আরসিইপিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ জানিয়েছে, সদস্যপদের প্রয়োজনীয় সব শর্ত ও জবাব ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ সংস্কার কাজও এগিয়ে চলছে। আরসিইপির অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে নিউজিল্যান্ডের সক্রিয় সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়া আসিয়ানের এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর মতো

বাংলাদেশকেও ১৫ থেকে ২০ বছরের শুল্ক ছাড়ের সুবিধা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে এলডিসি থেকে উত্তরণের মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর যৌক্তিকতা তুলে ধরে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে অর্থনীতিতে যে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী

অর্থনৈতিক সংস্কার ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্গঠনের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশ স্পষ্ট করে জানায়, উত্তরণের সময় পিছিয়ে দেওয়া স্থায়ী কোনো উদ্দেশ্য নয়, বরং এটি একটি টেকসই ও সুসংগঠিত প্রস্তুতির অংশ।

একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাব দিয়ে বাংলাদেশ জানায়, এর ফলে নিউজিল্যান্ডের ডেইরি পণ্য, কৃষিসামগ্রী ও ধাতব পদার্থের জন্য বাংলাদেশের বিশাল ১৭ কোটির বাজার উন্মুক্ত হবে। বিনিময়ে নিউজিল্যান্ডের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ শিল্প, চামড়াজাত পণ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের স্থায়ী জায়গা সুসংহত

হবে।

বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করতে 'দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নীতি পরামর্শক গ্রুপ' গঠন, এফটিএর জন্য যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরি এবং জাতিসংঘে এলডিসি উত্তরণ ইস্যুতে কূটনৈতিক সমন্বয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সার্বিক আলোচনায় দুই দেশই নিয়মিত যোগাযোগ ও উচ্চপর্যায়ের নীতি-সংলাপ চালিয়ে যেতে একমত হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের

নীতিনির্ধারকদের দ্রুত বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হলে তারা ইতিবাচক সাড়া দেয়।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728
ad728
ad728