1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

মা শিরিন আক্তারের সন্তোষ ও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 24-08-2026 ইং
  • 10448 বার পঠিত
ad728

ফেনীর সোনাগাজীতে আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর আজ চূড়ান্ত রায় প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা এবং শাহাদাত হোসেন শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া চার আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং বাকি ১০ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষণদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

উচ্চ আদালতের এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নুসরাতের মা শিরিন আক্তার। রায়ের খবর শুনে সোনাগাজীর বাড়িতে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, "আজকের রায়ে হত্যা প্রকাশ হয়েছে। খুনিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়েছিল যে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আজকের রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে।"

পরিবারের প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা শঙ্কা:

  • সন্তোষ প্রকাশ: উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করে নুসরাতের পরিবার জানান, এ রায়ের মাধ্যমে নুসরাতের বিদেহী আত্মা শান্তি পেয়েছে।

  • নিরাপত্তার আবেদন: বিগত সাত বছর ধরে পুলিশি পাহারায় থাকলেও বর্তমানে আসামি ও তাদের অনুসারীদের ধারাবাহিক হুমকিতে তীব্র নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেন নুসরাতের মা। তিনি ও তাঁর সন্তানেরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পরিবারটির নিরাপত্তা জোরদারের আকুল আবেদন জানান।

  • স্থানীয় পুলিশের পদক্ষেপ: নিরাপত্তার শঙ্কার প্রেক্ষিতে সোনাগাজী মডেল থানার ওসি জানান, নুসরাতের পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে তাঁদের গ্রামের বাড়িসহ আশপাশের এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত পটভূমি: ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় নুসরাতের পরিবার মামলা করলে তা তুলে নিতে চাপ দেওয়া হয়। রাজি না হওয়ায় ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হয়। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর নিম্ন আদালত ১৬ জন আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছিলেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..