1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

রংপুরে সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও পরিবার হত্যা: পুলিশের বয়ান ঘিরে প্রশ্নের মুখে তদন্তভার ডিবিতে হস্তান্তর

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 25-08-2026 ইং
  • 9679 বার পঠিত
ad728

রংপুরে জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় মেট্রোপলিটন পুলিশের দেওয়া প্রাথমিক বয়ান নিয়ে নানা প্রশ্ন ও সর্বস্তরের ক্ষোভের মুখে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। কোতোয়ালি থানার পরিবর্তে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয়েছে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে (ডিবি)।

মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, অধিকতর স্বচ্ছ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

তদন্তভার হস্তান্তর ও আইনি হালনাগাদ:

  • নথিপত্র হস্তান্তর: গত সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি মামলাটির যাবতীয় নথি ও তথ্য-উপাত্ত নতুন তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। পরে উভয় কর্মকর্তা নগরীর মাছুয়াপাড়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

  • জবানবন্দি গ্রহণ: পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ডিবি জানায়, আসামিদের দেওয়া জবানবন্দিতে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যের মিল থাকার পাশাপাশি কিছু অতিরিক্ত নতুন তথ্য যুক্ত হয়েছে।

পুলিশের সংবাদ সম্মেলন ও জনমনে তীব্র ক্ষোভ:

এর আগে গত রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার দাবি করেন, বাসার ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তীকে (১২) হত্যা করা হয়েছে।

তবে এই বক্তব্য নিয়ে নিহতদের স্বজন, সচেতন নাগরিক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়। তাঁদের মূল প্রশ্নগুলো হলো:

  • ইয়াবা সেবনের নিরাপদ স্থান থাকা সত্ত্বেও আসামিরা কেন ঝুঁকিপূর্ণ ছাদ বেছে নিল?

  • ছাদেই যদি ইয়াবা সেবন করতে যায়, তবে পুরো বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ আগে থেকে বিচ্ছিন্ন করা হলো কেন?

  • ডাকাতি নাকি মাদক সেবনের আড়ালে এটি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বা এর পেছনে শক্তিশালী কোনো চক্র জড়িয়ে আছে কিনা—তা নিয়ে আন্দোলনকারীরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

এমনকি অভিযুক্ত দুই তরুণের পরিবারও প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে মাত্র দুজন ব্যক্তি চারজনকে একা হত্যা করল। সার্বিক পরিস্থিতিতে অধিকতর ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে। নতুন তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..