1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

দীঘিনালায় ক মাসের ব্যবধানে ৩ বার বন্যা: ধসে পড়া ঘরবাড়ি ও নিঃস্ব খামারির আর্তনাদ, পর্যাপ্ত ত্রাণের অভাব

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 25-08-2026 ইং
  • 8740 বার পঠিত
ad728

কয়েক মাসের ব্যবধানে তৃতীয়বারের মতো পাহাড়ি ঢল ও অতি ভারী বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার নিম্নাঞ্চল। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর সেখানে এক ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ভেসে উঠেছে। উপজেলার গ্রামগুলোতে অসংখ্য মাটির ঘর ধসে পড়েছে, গ্রামীণ সড়ক তছনছ হয়ে গেছে এবং বসতবাড়িতে জমা হয়ে রয়েছে কাদা ও নষ্ট হওয়া আসবাবপত্র। জামতলীসহ এর আশপাশের উঁচু এলাকাগুলোতেও শুক্রবার রাতের হঠাৎ ঢলের তোড়ে বহু পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে, ভেসে গেছে তাদের পরনের কাপড় ও দৈনন্দিন রসদ।

বন্যার তাণ্ডবে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন বহু প্রান্তিক মানুষ ও ছোট উদ্যোক্তারা। ঋণ ও এনজিও থেকে ধারদেনা করে দেড় হাজার সোনালী মুরগির খামার গড়ে তোলা এক নারী উদ্যোক্তা জানান, আগামী মাসেই তাঁর খামারের মুরগি বিক্রির উপযুক্ত হতো। কিন্তু আকস্মিক বন্যায় খামারের সব মুরগি মারা যাওয়ায় তিনি এখন নিঃস্ব হয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।

ত্রাণ নিয়ে অভিযোগ ও প্রশাসনের বক্তব্য:

  • ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষোভ: দুর্যোগের চার দিন পার হয়ে গেলেও ক্ষতিগ্রস্তদের একটি বড় অংশ অভিযোগ করেছেন, তাঁরা এখনও পর্যাপ্ত খাদ্য বা প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা পাননি।

  • প্রশাসনের প্রস্তুতি: দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কিছু এলাকায় ইতোমধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে এবং শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

  • ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ: ইউএনও আরও জানান, প্রাথমিকভাবে কেবল জামতলী এলাকাতেই প্রায় শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে এবং সরকারি বরাদ্দ সাপেক্ষে তা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..