1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

সাউন্ড প্রযুক্তির মেলবন্ধন: ব্রিটিশ মঞ্চে দক্ষিণ এশীয় সংগীতের নিজস্ব আবহ ফুটিয়ে তুলছেন আরাফাত কীর্তি

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 26-08-2026 ইং
  • 9466 বার পঠিত
ad728

যুক্তরাজ্যে দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে দক্ষিণ এশীয় সংগীতের পরিসর। লন্ডনসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে নিয়মিত আয়োজিত হচ্ছে বাংলা গান, গজল, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত এবং সমসাময়িক নানা ব্যান্ড পরিবেশনা। তবে এসব আধুনিক ব্রিটিশ ভেন্যু ও ডিজিটাল সাউন্ড ব্যবস্থার মাঝে দক্ষিণ এশীয় সংগীতের আসল সুর, স্বকীয়তা ও নিজস্ব আবেগ অক্ষুণ্ণ রাখা এখন অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই যুক্তরাজ্যে নিজের আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছেন শব্দপ্রযোজক আরাফাত কীর্তি।

বাংলাদেশে স্টুডিওভিত্তিক সংগীত প্রযোজনা, মিক্সিং ও মাস্টারিংয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পর যুক্তরাজ্যে সরাসরি লাইভ কনসার্ট ও মঞ্চের সংগীতে তাঁর কাজের পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে।

শব্দ মিশ্রণের কৌশল ও মিউজিক্যাল ফিলোসফি:

  • শ্রোতার আবেগ ও পরিবেশের ভারসাম্য: শব্দপ্রযুক্তির কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি সংগীতের ধরণ, মঞ্চের পরিবেশনা এবং শ্রোতাদের আকাক্সক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে শব্দের প্রাকৃতিক ভারসাম্য তৈরি করাই তাঁর কাজের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

  • পরিবেশনা ভিত্তিক পরিবর্তন: মেলোডিক বা নরম পরিবেশনায় তিনি কণ্ঠের উষ্ণতা ও স্বচ্ছতাকে গুরুত্ব দেন। অপরদিকে উৎসবমুখর ও ছন্দনির্ভর কনসার্টে ছন্দের গতিশীলতা ও বেস (Bass)-এর গভীরতাকে প্রাধান্য দিয়ে সাউন্ড প্রসেস করেন।

  • শাস্ত্রীয় সংগীতের সূক্ষ্মতা: তবলা, সেতার ও শাস্ত্রীয় কণ্ঠের স্বাভাবিক স্বর ও ওঠানামা অক্ষুণ্ণ রেখে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তা শ্রোতার কাছে পৌঁছে দেন।

  • সংগীতের বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা: দীর্ঘদিনের তবলা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি গিটার ও পিয়ানো বাজানোর দক্ষতার কারণে সংগীতের তাল, ছন্দ ও সুরের কাঠামো খুব সহজেই অনুধাবন করতে পারেন তিনি।

এক নজরে আরাফাত কীর্তির সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোফাইল:

ক্ষেত্রকাজের বৈচিত্র্য ও কৌশল
অভিজ্ঞতার পটভূমিবাংলাদেশে দীর্ঘদিন স্টুডিও প্রযোজনা, মিক্সিং ও মাস্টারিং সম্পন্ন করে বর্তমানে ইউকে-তে সক্রিয়।
সাউন্ড প্রসেসিং শৈলীনির্দিষ্ট কোনো ‘সিগনেচার সাউন্ড’ চাপিয়ে না দিয়ে গানের মেজাজ অনুযায়ী মিক্সিং পরিবর্তন।
মূল লক্ষ্যদক্ষিণ এশীয় শিল্পী ও ব্রিটিশ মঞ্চের মধ্যে প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক ব্যবধান কমিয়ে আনা।
কাজের দর্শনপ্রযুক্তি নয়—শ্রোতারা যেন সরাসরি সংগীতের মূল আবেগ ও প্রাণ অনুধাবন করতে পারেন।

দক্ষিণ এশীয় শাস্ত্রীয় সংগীত ও সুরকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করে যুক্তরাজ্যে লাইভ মিউজিক অভিজ্ঞতায় এক নতুন মাত্রা যোগ করছেন আরাফাত কীর্তি।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..