1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

অর্ধশতাব্দী পেরিয়েও বিএনপির পথপ্রদর্শক জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 01-09-2026 ইং
  • 3804 বার পঠিত
ad728

আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সুদীর্ঘ এ পথচলায় দাঁড়িয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক ১৯৭৮ সালে ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘১৯ দফা’ কর্মসূচির কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছেন দলের প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা ও বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, আত্মপ্রকাশের ৪৯ বছর পরেও এর অবিচ্ছিন্ন গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতার কারণে ১৯ দফাই এখনো বিএনপির প্রধান নীতিগত পথপ্রদর্শক বা ভিশন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

রাজনৈতিক নথিপত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন, গ্রামীণ অর্থনীতি পুনর্গঠন ও জাতীয় সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠাই ছিল ১৯ দফার মূল ভিত্তি। ১ নম্বর দফায় যেকোনো মূল্যে দেশের ‘সার্বভৌমত্ব’ রক্ষার কথা ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী দফায় জাতীয় জীবনে সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর আস্থা, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার অর্থে সমাজতন্ত্রের মৌলিক নীতিগুলোর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় স্থানীয় প্রশাসন এবং রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে 'জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ' ও 'স্বনির্ভরতা' অর্জনের ওপর জোর দেওয়া হয়। একইসাথে বর্ণ, ধর্ম ও মতাদর্শ নির্বিশেষে সব নাগরিকের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্যের তাগিদ দেওয়া হয় এতে।

কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অগ্রগতির লক্ষ্যে ১৯ দফায় কৃষিতাত্ত্বিক উন্নয়ন ও বন্যা-খরা মোকাবিলায় কার্যকর ‘পানি ব্যবস্থাপনা’ জোরদারের কথা বলা হয়। সেই সাথে শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সিভিল সার্ভিস, শ্রম অধিকার ও ভূমি ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

নাগরিকদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকার পূরণের পাশাপাশি দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করা হয় এ দফায়। এছাড়া শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূরীকরণে 'গ্রামীণ উন্নয়ন', প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, মানবসম্পদ তৈরি, বেসরকারি খাতকে উৎসাহিতকরণ এবং যুব ও নারীদের মূলধারার অর্থনীতি ও ক্ষমতায়নে সম্পৃক্ত করার বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পায়। বৈদেশক নীতির ক্ষেত্রে সমতা, আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বকে শ্রদ্ধা এবং মুসলিম বিশ্বসহ আন্তর্জাতিক মিত্রদের সাথে বন্ধুভাবাপন্ন সম্পর্কের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল প্রথম এই ১৯ দফা রূপরেখা উন্মোচন করেন জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে এটিকে সরকারের প্রধান আর্থসামাজিক নীতি নির্দেশক কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করেন তিনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিএনপি আবারো রাষ্ট্রের নেতৃত্বে ফিরে আসায়, দেশের বর্তমান উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন যাত্রায় প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সেই ঐতিহাসিক ভিশনকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানান বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..