হাজার বছর ধরে আয়ুর্বেদিক ও চীনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত জনপ্রিয় ভেষজ মসলা হলুদের বহুবিধ স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট 'বোল্ডস্কাই'। হলুদে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও সক্রিয় উপাদান ‘কারকুমিন’ শরীরকে বিভিন্ন ব্যাধি থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।
প্রতিবেদনে উল্লিখিত হলুদ চায়ের মূল উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: হলুদ চায়ে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান শরীরকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে এবং সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা করে।
বাত ও ব্যথানাশ: কারকুমিনের শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণাবলি বাতের ব্যথা ও জয়েন্টের প্রদাহ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।
হৃদযন্ত্র ও লিভার সুরক্ষা: খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে এবং লিভারকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে হলুদ চা ভূমিকা রাখে।
ফুসফুস ও ক্যানসার প্রতিরোধ: ফুসফুসের রোগ ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ক্যানসার কোষের বিস্তার রোধে সহায়ক।
সেবন পদ্ধতি ও উপাদান: হলুদের শেকড় বা গুঁড়া ফুটিয়ে এই চা তৈরি করা হয়; স্বাদের পাশাপাশি গুণাগুণ বাড়াতে এতে আদা, লেবু ও মধু যোগ করা যায়।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা: সাধারণ মাত্রায় এটি নিরাপদ হলেও অতিমাত্রায় পান করলে বমি বমি ভাব বা ডায়রিয়া হতে পারে। এ ছাড়া যাঁদের হলুদে বিশেষ অ্যালার্জি রয়েছে, তাঁদের হলুদ চা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।