শিক্ষা—নাকি নির্দয় বাণিজ্য?
এই প্রশ্ন ঘিরেই এখন তীব্র আলোচনায় প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল হাই স্কুল।
রাজধানীর মিরপুর–পল্লবী এলাকায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার নামে বিরাট অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, সরকারি প্রাইমারি স্কুলের স্বল্পতা কাজে লাগিয়ে ব্যক্তিমালিকানাধীন স্কুলগুলো মূলত আর্থিক লোভে পরিচালিত হচ্ছে।
অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রমের আড়ালে চলছে নিয়মবহির্ভূত অর্থ আদায়ের রমরমা ব্যবসা। ভর্তি ফি থেকে শুরু করে মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফি, এমনকি বিভিন্ন অঘোষিত খাতে বারবার অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে দাবি উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে—
🔴 নির্ধারিত ফি তালিকার বাইরে অতিরিক্ত টাকা
🔴 টাকা না দিলে হয়রানি ও চাপ
🔴 ফলাফল, ক্লাস সুবিধা ও সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে অর্থের অদৃশ্য যোগসূত্র
স্থানীয়রাে আরোও অভিযোগ করেছেন, বাবু আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিভিন্ন প্রোগ্রামে অর্থ দিয়েছে। বর্তমানে রাজনৈতিক পালাবদল হলেও তার প্রভাব ও কর্মকাণ্ডে কোনো ভাটা পড়েনি। বিদ্যালয়ে কেজি ক্লাসে ভর্তি বাবদ এককালীন ১৮–২০ হাজার টাকা, এবং মাসিক বেতন গড়ে ২,৭০০ টাকা, যা সাধারণ পরিবারের জন্য বড় আর্থিক চাপ।
একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন,
“স্কুল নয়, যেন একটা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান—টাকা দিলেই সুবিধা, না দিলে সমস্যা।”
শিক্ষাবিদদের মতে, এ ধরনের অভিযোগ সত্য হলে তা শুধু নীতিমালার লঙ্ঘন নয়, বরং পুরো শিক্ষাব্যবস্থার জন্য ভয়ংকর সংকেত।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—এই অভিযোগগুলো দীর্ঘদিন ধরে শোনা গেলেও কার্যকর কোনো প্রশাসনিক তদন্ত চোখে পড়েনি। ফলে প্রশ্ন উঠছে—
কর্তৃপক্ষ কি জানে না? নাকি জেনেও নীরব?
এ বিষয়ে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল হাই স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট ও লিখিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আমরা তাদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। বক্তব্য পেলে তা জনসম্মুখে তুলে ধরা হবে।
শিক্ষা যদি ব্যবসার পণ্যে পরিণত হয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শুধু অভিভাবক নয়—ধ্বংস হবে একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ।
👉 তাই এখনই প্রয়োজন : শিক্ষা বোর্ডের জরুরি তদন্ত, অভিযোগের স্বচ্ছ যাচাই, দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
বিস্তারিত আসছে দেশের টিভি জিরো টলারেন্সে
| ফজর | ৪:৪৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৬ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩:৪৩ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৫:১৮ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:০০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২:০০ মিনিট দুপুর |

