অ্যাডহক কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি: ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম জেলা ও বিভাগীয় অ্যাড হক কমিটির সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে যথাক্রমে ৯ ও ১১ জন করা হয় । সংবিধান অনুযায়ী সদস্য সংখ্যা ৭ জন হওয়ার কথা । এটি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা মি. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার হস্তক্ষেপ: সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে এবং তার পিএস-এর মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অযৌক্তিকভাবে হস্তক্ষেপ করেছেন। ই-ভোটে কারচুপি: বিসিবি সভাপতি, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা ও তার পিএস সমন্বিতভাবে ই-ভোটিং প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও কারচুপির সঙ্গে জড়িত ছিলেন ।
গোপনীয়তা ব্যতীত ই-ভোট প্রদান: নির্দিষ্ট স্থান থেকে ই-ভোট প্রদান করা হয়েছে এবং ভোটের গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়নি। ঢাকার হোটেল শেরাটনে ৫ তারিখ রাতে এক জায়গায় জড়ো হয়ে আলোচনাকে কমিটি ভোট কারসাজি মনে করেছে।
আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে অন্তর্ভুক্তি: তাদের কাউন্সিলরশিপ নিশ্চিত করতে ০৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিভাগ ও জেলা অ্যাডহক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয় । এটি গুরুতর ক্ষমতার অপব্যবহার।
নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ: ২০২৫ সালের নির্বাচনটি স্বাধীন, ন্যায়সংগত বা স্বচ্ছ ছিল না এবং এটি বিসিবি সভাপতি ও সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার সহায়তায় নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
ক্যাটেগরি ২ (মেট্রোপলিটন ক্লাব) থেকে অভিযোগ: নির্বাচনে কারচুপি: আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে। ক্লাব কাউন্সিলরদের হুমকি ও বেআইনিভাবে জবরদস্তি করা হয়েছিল।
ই-ভোটিং সিস্টেমের অপব্যবহার: কাউন্সিলরদের হোটেল শেরাটনে এসে ভোট দিতে উৎসাহিত করা হয়েছিল, যার একজন স্টেকহোল্ডার বিসিবির বর্তমান সহ-সভাপতি মো. শাখাওয়াত ।
সময়সীমার পরে মনোনয়ন গ্রহণ (ফারুক আহমেদ): নির্বাচন কমিশন সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত তালিকা পায়, যদিও সময়সীমা ছিল ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। কমিটি মনে করে ফারুক আহমেদ একটি বেআইনি সুবিধা পেয়েছেন।
পছন্দের প্রার্থীদের অনৈতিক সুবিধা: সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার পছন্দের প্রার্থীদের ভোটার তালিকার আগাম প্রবেশাধিকার ও বেআইনি প্রচারণা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সামগ্রিক ভোটদান পরিবেশ স্বাধীন ছিল না, ভোটাররা হুমকির মুখে ছিল এবং বিসিবি সংবিধানের একাধিক ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে।
ধারা ৩ থেকে অভিযোগ (প্রাক্তন ক্রিকেটার ও অন্যান্য): বোর্ড সভা: ১০ জন প্রাক্তন ক্রিকেটারকে কাউন্সিলর মনোনয়নের জন্য আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে অনুমতি দেওয়ার দাবিটি অন্যান্য পরিচালকরা অস্বীকার করেছেন। বিসিবি সিইও বোর্ড সভার অডিও/ভিডিও রেকর্ড সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানান।
ক্ষমতার বাইরে কাজ করা: সংবিধান অনুযায়ী সভাপতি এককভাবে ১০ জন প্রাক্তন ক্রিকেটারকে মনোনয়ন দিতে পারেন না। আমিনুল ইসলাম বুলবুল একপক্ষীয়ভাবে এই মনোনয়ন দিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।