ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নারীকে (৪৮) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক ডায়াগনোস্টিক সেন্টার কর্মীর বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় হাসপাতাল ভবনের তৃতীয় তলার একটি নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত আরিফ হোসেন নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আটক আরিফ নিজেকে ‘এ্যাপোলো’ নামের একটি বেসরকারি ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধি হিসেবে দাবি করেছেন। তবে সংশ্লিষ্ট ডায়াগনোস্টিক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, আরিফ তাদের কর্মী নন।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারী গত শুক্রবার মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ছাড়পত্র দিলেও তিনি হাসপাতাল ছাড়েননি। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আরিফ ওষুধ দেওয়ার কথা বলে তাকে তৃতীয় তলার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্তকে আটক করে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরাফাতুর রহমান বলেন, ‘ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইনি বিভাগে ভর্তি রাখা হয়েছে।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. মনিরুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ আরও জানায়, ৫ সন্তানের জননী ওই নারীর স্বামী কিছুদিন আগে মারা গেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে ভুক্তভোগী নারী কিছুটা অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন। ঘটনাটির নেপথ্যে অন্য কোনো বিষয় আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।