মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে লাল কার্ড দেখার বড় শাস্তি পেলেন ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যারেল কোয়ানসা। বিশ্বকাপের পরবর্তী দুই ম্যাচের জন্য তাকে নিষিদ্ধ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি।
ফিফার শৃঙ্খলাবিধির ১৪ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যমগুলোর সূত্রমতে, শেষ ষোলোর ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানের জয়ের দিনে কোয়ানসার এই লাল কার্ডের বিরুদ্ধে ফিফার কাছে আপিল করার কথা ভাবছিল ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)।
এক্ষেত্রে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগানের উদাহরণটি সামনে আনতে চেয়েছিল। দ্বিতীয় পর্বে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ২-০ গোলে জয়ের ম্যাচে লাল কার্ড পেয়েছিলেন বালোগান।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ম্যাচে তার স্বয়ংক্রিয় নিষেধাজ্ঞা থাকার কথা থাকলেও, ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি বিশেষ বিবেচনায় তার শাস্তি স্থগিত করে। ফলে শেষ ষোলোর ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলার অনুমতি পান তিনি।
তবে কোয়ানসার ক্ষেত্রে নরম হচ্ছে না ফিফা। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় বা কর্মকর্তা ‘গুরুতর ফাউল’ করলে তিনি কমপক্ষে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হবেন। মেক্সিকো ম্যাচের দ্বিতীয় হাফের ৮ মিনিটের মাথায় গায়ার্দোকে বুটের তলা দিয়ে (সোল) আঘাত করায় ভিএআর দেখে কোয়ানসাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়েছিলেন রেফারি।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে কোয়ানসা নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি তো মিস করবেনই, এমনকি ইংল্যান্ড যদি টুর্নামেন্টের শেষ চারে পা রাখে, তবে সেই সেমিফাইনাল ম্যাচেও তিনি মাঠে নামতে পারবেন না।
ফিফা তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘২০২৬ সালের ৫ জুলাই মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত মেক্সিকো বনাম ইংল্যান্ডের মধ্যকার ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড পাওয়া ইংল্যান্ড জাতীয় দলের খেলোয়াড় জ্যারেড কোয়ানসার বিরুদ্ধে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি শৃঙ্খলাবিধির ১৪ নম্বর ধারা লঙ্ঘনের জন্য ২ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ফিফার শৃঙ্খলাবিধির ৬৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞা ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে কার্যকর করা হবে।’
এ জাতীয় আরো খবর..