1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

মৎস উৎপাদনের সম্ভাবনা বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদনঃ অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইমঃ 16-08-2026 ইং
  • 11663 বার পঠিত
ad728

মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যানেও দেশের মৎস্য চাষ ও আহরণের এই বিশাল সম্ভাবনার চিত্র স্পষ্ট। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এই খাতকে আরও এগিয়ে নিলে যেমন বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হবে, তেমনি বাড়বে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ।

রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মৎস্য খাতের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে নেওয়া সরকারি পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি জানান, খুলনা অঞ্চলে মৎস্য অধিদপ্তরের অধীনে ৩০০টি ক্লাস্টারের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তিতে চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে। ফলে সেখানকার সাড়ে সাত হাজার ঘেরে চিংড়ি উৎপাদন আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া চিংড়ি খাতকে আরও বিস্তৃত করতে কক্সবাজারের চকরিয়ায় সাত হাজার একর জমিজুড়ে 'শ্রিম্প সিটি' মাস্টারপ্ল্যানের অধীনে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ চলছে।

শুধু চিংড়ি নয়, ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো ও সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের কেবল জাতীয় মাছ বা অর্থনৈতিক সম্পদই নয়, এটি বিশ্ব দরবারে স্বীকৃত একটি জিআই পণ্য। দেশজ জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১ শতাংশের বেশি এবং এটি মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ১০ শতাংশ জোগান দেয়। ২০০৩-০৪ মেয়াদে প্রণীত ‘ইলিশ ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট অ্যাকশন প্ল্যান’-এর ধারাবাহিক সুফলেই আজ সারাদেশে ইলিশের প্রবৃদ্ধি দৃশ্যমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন ও মো. মাজহারুল ইসলাম এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘জাতীয় মৎস্য পদক’ (স্বর্ণপদক) প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে তিনি ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ফলক উন্মোচন ও বৃক্ষরোপণ এবং পরবর্তীতে স্থানীয় স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। 

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..