1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

ভিটামিন ‘এ’-র ঘাটতি বুঝবেন কীভাবে? জেনে নিন ৭টি বড় সতর্কবার্তা

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 19-08-2026 ইং
  • 11676 বার পঠিত
ad728

হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখা, আলো কমে এলে দেখতে সমস্যা হওয়া কিংবা ত্বকের অস্বাভাবিক খসখসে ভাব—এমন অনেক উপসর্গকে আমরা স্বাভাবিক মনে করে এড়িয়ে চলি।

তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান ‘ভিটামিন এ’-র ঘাটতি দেখা দিলে এই লক্ষণগুলো প্রকাশ্যে আসে।

মানবদেহের দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি ত্বকের সুস্থতা ও প্রজননক্ষমতা বজায় রাখতে এই ভিটামিনের জুড়ি নেই।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের অন্ধত্বের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ভিটামিন ‘এ’-র ঘাটতি।

দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে অনেকেই আমরা এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনে উঠতে পারি না।

ভিটামিন ‘এ’-র ঘাটতির প্রধান ৭ লক্ষণ

১. রাতকানা রোগ: আলো কমলে বা অন্ধকারে আবছা দেখা এই সমস্যার অন্যতম প্রথম উপসর্গ।এই ভিটামিনের অভাবে চোখের রেটিনায় প্রয়োজনীয় ‘রোডোপসিন’ রঞ্জক তৈরি বাধাগ্রস্ত হয়।

২. শুষ্ক চোখ (জিরোফথ্যালমিয়া): পর্যাপ্ত অশ্রু তৈরি না হওয়ায় চোখ খসখসে হয়ে পড়ে। দীর্ঘস্থায়ী হলে কর্নিয়ার আলসার ও স্থায়ী অন্ধত্বের ঝুঁকি বাড়ে।

৩. ত্বকের অতিরিক্ত শুষ্কতা: কোষের পুনর্গঠন ও আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক প্রাণহীন, খসখসে হয়ে পড়ে এবং একজিমার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

৪. ক্ষত শুকাতে দেরি: দেহে কোলাজেন উৎপাদনে বাধা আসায় শরীরের কোনো অংশের কাটা-ছেঁড়া সহজে শুকাতে চায় না।

৫. ঘন ঘন সংক্রমণ: রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (ইমিউন সিস্টেম) দুর্বল হয়ে পড়ায় গলা, ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্রে বারবার ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ঘটে।

৬. ব্রণ ও ত্বকের সমস্যা: ত্বকের টিস্যু ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়, যার ফলে মুখে জেদি ব্রণের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

৭. প্রজনন সমস্যা ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি রোধ: নারী-পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা কমার পাশাপাশি বাড়ন্ত শিশুদের শারীরিক বিকাশ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়।

ঘাটতি পূরণে খাদ্যতালিকা ও সঠিক নিয়ম

প্রাকৃতিক উপায়ে চাহিদা মেটাতে দৈনন্দিন খাবারে দুটি উৎসের সমাহার ঘটানো জরুরি:

  • উদ্ভিজ্জ উৎস: গাজর, মিষ্টি আলু, মিষ্টি কুমড়া, পালং শাক, ব্রকলি, টমেটোসহ পাকা আম, পেঁপে ও কাঁঠালের মতো রঙিন ফলমূল (এগুলোতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন ‘এ’-তে রূপান্তরিত হয়)।

  • প্রাণিজ উৎস: ডিমের কুসুম, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, সামুদ্রিক মাছের তেল এবং খাসি বা মুরগির কলিজা।

বিশেষ টিপস ও সতর্কতা: যেহেতু ভিটামিন ‘এ’ ফ্যাট বা চর্বিতে দ্রবণীয়, তাই শাকসবজি বা গাজর রান্নার সময় সামান্য তেল ব্যবহার করা উচিত; এতে পুষ্টি দ্রুত শোষিত হয়।

তবে প্রাকৃতিক খাবারের বাইরে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ সাপ্লিমেন্ট বা ক্যাপসুল খাওয়া অনুচিত।

অতিরিক্ত ভিটামিন ‘এ’ যকৃতে জমলে লিভারের বড় ক্ষতিসহ বিষক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..