1. [email protected] : admi2019 :
info@deshertvusa.tv +8801979-343434
প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি আন্তজাতিক খেলা বিনোদন প্রবাস আরও

প্রয়োজনে নিহত বাংলাদেশিদের লাশ আনার খরচ বহন করবে সরকার: শামা ওবায়েদ

প্রতিবেদনঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইমঃ 19-08-2026 ইং
  • 11060 বার পঠিত
ad728

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ শনাক্তকরণ ও আনুষঙ্গিক আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্যের কথা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

শামা ওবায়েদ বলেন, "এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট হোটেলে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক অবস্থান করছিলেন এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পেরেছে।

অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন সদস্য রয়েছেন।" পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন।

তিনি নিজেই দুর্ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে গেছেন। নিহতের স্বজনদের সঙ্গে মিশন ইতোমধ্যে দেশে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ামাত্রই মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে আনার বিষয়ে মিশন সমন্বয় করছে।

মরদেহ দেশে আনার খরচ সম্পর্কিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, নিহতরা যেহেতু প্রবাসী কল্যাণ কিংবা শ্রমিক ক্যাটাগরির আওতায় পড়ে না, তাই নির্ধারিত সরকারি তহবিল হয়তো সরাসরি প্রযোজ্য হবে না।

তবে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো মরদেহ ফেরত আনার ব্যয় বহনে অসমর্থ হলে সরকার অবশ্যই বিষয়টিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় নেবে এবং প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমসূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে কলকাতার ব্যস্ততম নিউ মার্কেট এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের এক হোটেলে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। নিহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় অবস্থান করছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ।

এদিকে, কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলটিতে মৌলিক কোনো অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। ঘটনার পর ভবন ও হোটেলের মালিক এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা আত্মগোপনে চলে যান। এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথক মামলা করা হয়েছে এবং পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Whatsapp
  • Linkedin
  • প্রিন্ট নিউজ
  • কপি লিঙ্ক
এ জাতীয় আরো খবর..